admin
প্রকাশিত: ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০২৬
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের দিগন্তজোড়া হাওর এখন কৃষকের কান্নার খোরাক। চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে সারা বছরের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের বোরো ধান। বজ্রপাত আতঙ্ক আর হাড়কাঁপানো ঠান্ডা বাতাস উপেক্ষা করে কোমর সমান পানিতে নেমে কৃষক চেষ্টা করছেন আধা-পাকা ধানটুকু ঘরে তুলতে। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ায় সেই ধান শুকানোর উপায় নেই; খলায় পড়ে পচে যাচ্ছে কৃষকের শেষ সম্বল।
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে জেলার মধ্যনগর, শাল্লা, জগন্নাথপুর ও সুনামগঞ্জ সদরসহ ১০টি উপজেলার নিচু জমি এখন পানির নিচে। বিশেষ করে মধ্যনগরের ইকরাছই ও জগন্নাথপুরের বৃহৎ নলুয়া হাওরের চিত্র সবচেয়ে ভয়াবহ। বাঁধ ভেঙে ও জলাবদ্ধতায় হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
নলুয়া হাওরের দাসনোয়াগাঁও গ্রামের কৃষক সারদা চরন দাস ১৬ কেয়ার জমিতে আবাদ করেছিলেন। ডুকরে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, “মাত্র এক কেয়ার কাটতে পারছি, বাকি সব পানির নিচে। ধার-দেনা করে আবাদ করছিলাম, অহন সারা বছর পরিবার লইয়া খামু কী?”
সুনামগঞ্জ সদরের দেখার হাওর পাড়ে গিয়ে দেখা যায় এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি। মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাপুর গ্রামের কৃষক আলা উদ্দিন বুক সমান পানিতে নেমে ধান কাটছিলেন। ১৫ কেয়ারের মধ্যে ৭ কেয়ার কাটতে পারলেও বৃষ্টির অভাবে তা শুকাতে পারছেন না। তিনি জানান, “খলায় ধান পইচ্যা গেরা (চারা) গজাইতাছে।”
একই চিত্র ধর্মপাশার ধারাম ও কাইঞ্জা হাওরে। সেখানে ধান শুকানোর জায়গা না পেয়ে অনেক কৃষক বস্তাবন্দি ধান রাস্তার পাশে ফেলে রেখেছেন। শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক পরিবারে ছোট ছোট শিশুরাও ধান কাটার কাজে বড়দের সাহায্য করতে নেমে পড়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এবার ফসল রক্ষা বাঁধই তাদের জন্য ‘মরণফাঁদ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সদরের বাওন বিল হাওরের পানি ধোপাখালি ¯øুইসগেট দিয়ে নামার কথা থাকলেও সুরমা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে হাওরের পানি নামতে পারছে না।
এর সাথে যোগ হয়েছে তীব্র শ্রমিক সংকট। দ্বিগুণ মজুরি দিয়েও মিলছে না কিষাণ। নিরুপায় হয়ে অনেক কৃষক ‘আধা-আধি’ (অর্ধেক ধান কেটে নেওয়ার চুক্তি) ভিত্তিতে ধান কাটাচ্ছেন, যা তাদের ঋণের বোঝা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওমর ফারুকের মতে, জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমি জলাবদ্ধতায় ডুবেছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকদের দাবি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এর চেয়ে বহুগুণ বেশি।
জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ জানান, নলুয়া হাওরের ৬০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হলেও বাকি অংশ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় আছেন কৃষকরা।
সুনামগঞ্জে এবার ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশার বাণী থাকলেও প্রকৃতির রুদ্রমূর্তিতে এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে হাজারো কৃষক পরিবার। আকাশে মেঘের ঘনঘটা যত বাড়ছে, হাওরপাড়ের মানুষের বুক চিরে কান্নার শব্দ তত জোরালো হচ্ছে।
রুবেল আহমদ: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় উপজেলা শহর (নন-মিউনিসিপ্যাল) মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত) এর
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি : জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের হেমু হাউদপাড়া (জুয়াইরটুল) গ্রামের বাসিন্দা ও মতিন মিয়ার পুত্র, উদীয়মান ফুটবলার মোঃ নাজিম
সিলেট মহানগরীর মাছিমপুর হাকিম বাড়ি নিবাসী এবং মাছিমপুর জামিয়া মসজিদের মোতাওয়াল্লী হাজী মো. মাহমুদ আলী আর নেই। শুক্রবার সকাল ৬
বজ্রপাত রোধে তালগাছ রোপণে গুরুত্ব সপ্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত আহসান হাবীব লায়েক, জকিগঞ্জ : সিলেটের জকিগঞ্জে দেশব্যাপী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ
এ কে আজাদ, গোয়াইনঘাট: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে একজন শিক্ষকেরও দেখা পাননি সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য
ছাতক প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন গতকাল বৃহস্পতিবার ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও-গনেশপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ
১৯ মে ভোর থেকে সিলেট বিভাগে পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতির ডাক বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী