admin
প্রকাশিত: 3:44 PM, February 2, 2026
স্টাফ রিপোর্টার:
নির্বাচনের আর মাত্র ১১ দিন বাকী, সারা দেশের ন্যায় সিলেটের সবকটি আসনে দ্রুত বদলে যাচ্ছে নির্বাচনী দৃশ্যপট। সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে রাজনৈতিক উত্তাপে উত্তপ্ত সিলেট ৩ আসন। দেশের রাজনীতিতে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ির আসন হিসেবে পরিচিত সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে ভোটের মাঠে উত্তাপ বাড়ছে। এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালিক সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী তরুণ আলেম হাফেজ মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু। জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সবাই তাকে সমর্থন দিয়েছেন। জোটের এই প্রার্থীকে জেতাতে এককাট্টা হয়েছে সব দল।
এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ। এছাড়া এনসিপি ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থীও সক্রিয় ছিলেন মাঠে। তবে শেষ পর্যন্ত জোটের সমীকরণে এই আসনটি পায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। দলটি প্রার্থী করে তরুণ প্রভাবশালী আলেম হাফেজ মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে। ইতোমধ্যে তিনি ভোটের প্রচারে সাড়া ফেলেছেন। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। জনসাধারণও তাকে ঘিরে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে ধানের শীষের মতো জনপ্রিয় প্রতীক পেলেও নির্বাচনী মাঠে স্বস্তিতে নেই এম এ মালিক।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ বিরোধ রয়েছে। পাশাপাশি এম এ মালেক দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে অবস্থান করায় সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে সবসময় এলাকায় পাওয়া যাবে না—এমন আশঙ্কাও রয়েছে ভোটারদের মধ্যে। ১১ দলীয় জোটের সমর্থনে রিকশা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাওলানা রাজু, যাকে ঘিরে দিন দিন জনসমর্থন বাড়ছে। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী ঘোষণা হলেও কয়েক দিনের
মধ্যেই জামায়াতে ইসলামীসহ জোটের প্রায় সব দল একযোগে তার পক্ষে মাঠে নামে। ফলে নির্বাচনী প্রচারণায় দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে পুরো নির্বাচনী আসনের চিত্র অনেকটাই বদলে যাচ্ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন মাওলানা রাজু। স্থানীয় ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় আশাবাদী তার সমর্থকরা। তাদের মতে, এলাকার জন্ম ও বেড়ে ওঠা প্রার্থী হিসেবে মাওলানা রাজু সাধারণ মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছেন।
অন্যদিকে মাওলানা রাজুর শিক্ষা, সমাজসেবা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরেই সিলেট-৩ এলাকায় বিস্তৃত। গোটা আসন ঘুরে দেখা যায়, ভোটের মাঠে মাওলানা রাজু ইতিমধ্যে সকলের কাছে পৌছতে না পারলে ১১ দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ভোটের মাঠে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে এককভাবে মাঠ দখলে নেওয়া যে কি কষ্টের তার প্রমান পাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী এম এ মালেকও। প্রচারণাকালে তিনি প্রতিপক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করলেও এর জবাব দিতে অনাগ্রহী মাওলানা রাজু। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এম এ মালিক বয়োজ্যেষ্ঠ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। আমাদের পারিবারিক শিক্ষা অনুযায়ী তাকে সম্মান করি। তবে রাজনৈতিকভাবে তার পক্ষ থেকে মিথ্যা অভিযোগ তোলা দুঃখজনক। আমি তাকে এসব থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাই।
উল্লেখ্য, এই আসনে প্রথমে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন দক্ষিণ সুরমার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা দেলওয়ার হোসাইনও শক্ত অবস্থানে ছিলেন। তবে জোটগত সিদ্ধান্তে মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে প্রার্থী ঘোষণা করা হলে সবাই তার পক্ষে একযোগে কাজ শুরু করেন।
মাওলানা রাজু ছাত্রজীবনে ছাত্র মজলিসের তুখোড় নেতা ছিলেন। বর্তমানে তিনি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের প্রিন্সিপাল। পাশাপাশি কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহসভাপতি ও নীতিনির্ধারক এবং আল-হাইয়্যাতুল উলয়ার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রভাবশালী তরুণ আলেম হিসেবে সারাদেশেই তার পরিচিতি রয়েছে।
তার বাবা প্রয়াত শাইখুল হাদিস আল্লামা নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী ছিলেন কওমি শিক্ষাবোর্ডের দীর্ঘদিনের সভাপতি। বাবার উত্তরাধিকার ও নিজের বহুমুখী সামাজিক-ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের কারণে মাওলানা রাজু আগে থেকেই এলাকায় জনপ্রিয়। সব মিলিয়ে সিলেট-৩ আসনে মালিক বনাম রাজুর লড়াই এখন নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়েছে। তবে কে হবেন বিজয়ী তার জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে এ আসনের ভোটারদের।
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার একটি গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে স্থানীয় বিতর্কিত
* অপরাধের স্বর্গরাজ্য ও ভুক্তভোগীদের ওপর নির্যাতন * আওয়ামী লীগ থেকে এনসিপি: রাতারাতি রূপবদল * আফজালের উসকানিমূলক বক্তব্য ও রাজনৈতিক
সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক এলাকা আম্বরখানাস্থ চায়না মার্কেট ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। টানা ছয়টি
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির জীবন সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন,
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। এছাড়া, অন্যান্য
স্টাফ রিপোর্টার: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, যুগোপযোগী, আধুনিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিটি
স্টাফ রিপোর্টার: সংবাদের মূল বক্তব্য তুলে ধরে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এসডিএ) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, “সমাজের টেকসই উন্নয়নে