admin
প্রকাশিত: ২:৪২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার:
১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে অসহযোগ আন্দোলন এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান আজ এক অদম্য প্রতিরোধ দুর্গে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছে মুক্তির অদম্য বাসনা নিয়ে।
আজকের দিনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভূতপূর্ব সংহতি। সচিবালয় থেকে শুরু করে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী সবাই অসহযোগ আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। অফিস-আদালত কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। আজ সকালে ‘পূর্ব পাকিস্তান সিএসপি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ এবং ‘ইপিএস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে মুক্তি সংগ্রামের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছে।
সকাল থেকেই ঢাকা শহর ছিল মিছিলের নগরী। স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়েছে রাজপথ— “বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো”। বায়তুল মোকাররম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে অসংখ্য মিছিল বের হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের দিকে অগ্রসর হয়। শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরাও আজ রাজপথে নেমে এসেছেন। বিকেলে লেখক-শিল্পীদের এক সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয় যে, বাংলার মানুষের ওপর কোনো অন্যায্য সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে তা মানা হবে না।
আজ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করে আন্দোলনের পরবর্তী দিক-নির্দেশনা গ্রহণ করছেন। বারবার অহিংস ও শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেও যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এদিকে, দেশের অভ্যন্তরে তীব্র আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ভেতরে ভেতরে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিমানে করে নিয়মিত সৈন্য ও সমরাস্ত্র আনা হচ্ছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্ব গণমাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের এই অভূতপূর্ব গণজাগরণ বিশেষ গুরুত্বের সাথে প্রচার করা হচ্ছে।
অসহযোগ আন্দোলনের ১২তম দিনে এসে এটি স্পষ্ট যে, পূর্ব বাংলার শাসনভার এখন কার্যত বঙ্গবন্ধুর হাতে। সাধারণ মানুষের দৃঢ় প্রত্যয় বলে দিচ্ছে, মুক্তির এই সংগ্রাম আর থামবার নয়।
কখনো পুলিশের সোর্স, কখনো রাজনৈতিক ছত্রছায়া, নেপথ্যে ভূমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট নগরীর টিলাগড় মিরাপাড়া এলাকায় রাশেদ
চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আবাদগাঁও গ্রাম নিবাসী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নট সংকীর্তন শিল্পী সর্বজন শ্রদ্ধেয় নীলমনি শর্মা
‘জীবনেও সাথী, মরণেও সাথী’-এই মহান প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে মানবতার সেবায় নিয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ইসলামী জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সিলেট জেলা
আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন
মো. আল আমীন, জগন্নাথপুর: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ-বাগময়না-হলিকোনা সড়কের বেহাল অবস্থা এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এক চরম দুর্ভোগের নাম। দীর্ঘ
মো. আল আমীন, জগন্নাথপুর: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
বেসরকারি জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা, নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিলেট সদর উপজেলার সাহেববাজার এলাকার ইকরা ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট স্কুল মাঠে বৃক্ষরোপণ করা
অবৈধ পথে বিদেশ গিয়ে অনেকের স্বপ্নের সমাধি হচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কেবল সনদনির্ভর হয়ে পড়ায় এবং কারিগরি দক্ষতার অভাবে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে