admin
প্রকাশিত: 6:53 AM, September 16, 2026
দিরাই প্রতিনিধি:
স্বাধীনতার প্রায় পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পেরুয়া-মধুপুর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সড়ক দুর্ভোগের অবসান ঘটেনি। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত সেখানে কোনো স্থায়ী সড়ক নির্মিত হয়নি। ফলে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই এখন দুই গ্রামবাসীর যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পারাপার হচ্ছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি পাকা রাস্তা ও টেকসই সেতুর দাবি জানানো হলেও আজ পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষাকালে এলাকায় পানি বৃদ্ধি পেলে এই দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের এই নড়বড়ে সাঁকো পারাপারে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি ও ঝুঁকি পোহাতে হয়।
সরেজমিনে জানা যায়, যাতায়াতের জন্য এলাকাবাসীর নিজেদের উদ্যোগে তৈরি বাঁশের সাঁকোটি দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন স্থানে দুর্বল ও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় বাঁশ পচে গেছে এবং বৃষ্টি হলে পিচ্ছিল হয়ে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। কোনো মানুষ হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া কিংবা জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
মধুপুর গ্রামের জুবায়ের মিয়া বলেন, রাস্তা না থাকায় বর্ষাকালে আমাদের এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেক সময় পা পিছলে বই-খাতা নিয়ে পানিতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এই দুর্ভোগ থেকে আমরা মুক্তি চাই।
জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, রাস্তার অভাবে আমাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে সঠিক মূল্যে বিক্রি করতে পারি না। যাতায়াত খরচই অনেক বেশি পড়ে যায়। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় আমরা অর্থনৈতিকভাবেও পিছিয়ে পড়ছি।
পেরুয়া-মধুপুর এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দাবিÑএলাকার সামগ্রিক যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করতে অনতিবিলম্বে একটি টেকসই সড়ক এবং প্রয়োজনীয় কালভার্ট বা সেতু নির্মাণ করা হোক। এটি বাস্তবায়ন হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ ঘুচবে এবং শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহনসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে আমূল পরিবর্তন আসবে।
মধুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজলা রানী রায় বলেন, আমরা ইউএনও অফিসে আবেদন করেছিলাম এখনো কোনো বরাদ্দ পাইনি। এইটা আজীবন ধরে সমস্যা । আগে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হতো এখন সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয়।
চরনারচর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পরিতোষ রয় বলেন, আমি চেষ্টা করতেছি কিন্তু পারতেছি না সরকারের কোন বরাদ্দ না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত।
মন্ত্রীর পক্ষে মৌমিকে ফুলেল শুভেচ্ছা স্টাফ রিপোর্টার: শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনো স্বপ্নের পথ রুধতে পারে নাÑসেটিই আবারও প্রমাণ করলেন সিলেটের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী
এলডিসি উত্তরণের নতুন সময়সীমা ২০২৯ স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা আরও তিন বছর পেছানোর প্রস্তাব
আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজপথ থেকে শুরু করে অলিগলি। কে হবেন নগরপিতা আর কার হাতে
সিলেট নগরের যানজট নিরসন ও সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রায় ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল বিশাল
ফরহাদের খপ্পরে পড়ে ৪৮ লাখ টাকা খুইয়ে নিঃস্ব আলমগীর সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে স্পেনে পাঠানোর নামে জাল কাগজপত্র
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জ জেলায় হতাশাজনক চিত্র উঠে এসেছে। এ বছর জেলায় ১২ হাজার ৬৯৯ জন
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে সাংবাদিক
এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি জিপিএ ৫ পেয়ে সাফল্যের সাথে উর্ত্তীণ হয়েছে। অদম্য ইচ্ছাশক্তি