admin
প্রকাশিত: ৪:৫৩ অপরাহ্ণ, মে ২৫, ২০২৬
সিলেটের কিংবদন্তি রাজনৈতিক নেতা, বরেণ্য ইসলামি চিন্তাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে সিলেটের ইবনে সিনা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে দীর্ঘদিন ভোগার পর গত শুক্রবার তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এ অবস্থায় তাঁর পরিবার ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট জেলা শাখার পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।
স্বাধীনতা-পরবর্তী সিলেট অঞ্চলের রাজনীতি, ইসলামি শিক্ষা আন্দোলন ও সামাজিক নেতৃত্বে অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিলেট জেলার দীর্ঘদিনের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ছিলেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি একজন আলেমে দ্বীন, সংগঠক ও শিক্ষানুরাগী হিসেবেও তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
সিলেটে ইসলামি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত “জামেয়া ইসলামিয়া” শিক্ষা মডেলের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, এতিমখানা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। আশির দশকে তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় জামেয়া ইসলামিয়া মিরাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়। পরে দি সিলেট ইসলামিক সোসাইটির উদ্যোগে পাঠানটুলায় গড়ে ওঠে দেশবিখ্যাত জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা। এছাড়া ইসলামপুরের আল আমিন জামেয়া ইসলামিয়া, নাজিরেরগাঁও জামেয়া ও জালালাবাদ কলেজ প্রতিষ্ঠায়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
কোরআনের খেদমতে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক সংগঠন “আনজুমানে খেদমতে কোরআন”-এর অন্যতম দিকপাল হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে সিলেট আলিয়া মাদরাসা ময়দানে বহু বছর ধরে অনুষ্ঠিত তাফসির মাহফিল সিলেট অঞ্চলে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারেও তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। সিলেট নগরের জিন্দাবাজারে প্রতিষ্ঠিত আলহামরা শপিং সিটি গড়ে তুলতেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালে সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের রাস্তাঘাট উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন। তাঁর সময়েই “আপার সুরমা-কুশিয়ারা প্রকল্প”-এর আওতায় প্রায় ১১১ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়।
১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের তালবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা মাওলানা আব্দুল হক চৌধুরী ছিলেন একজন পীরসাহেব ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল এবং এমসি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রসংঘের সিলেট জেলা সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
সিলেট অঞ্চলে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে তাঁর অবদান নেতাকর্মীদের কাছে আজও স্মরণীয়। রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও নিপীড়নের মুখোমুখি হলেও তিনি আদর্শিক অবস্থান থেকে কখনো সরে যাননি বলে তাঁর অনুসারীরা মনে করেন।
নিজ গ্রামের দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত “জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদরাসা” গড়ে তুলতেও জীবনের দীর্ঘ সময় ব্যয় করেন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। তাঁর অসুস্থতার খবরে সিলেটজুড়ে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
সিলেট চেম্বার ও কমার্সের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি, সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি ও সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব
সিলেটের অন্যতম সামাজিক সংগঠন ‘রাজারগলি সমাজকল্যাণ সংঘ’-এর ২০২৬-২০-২৮ মেয়াদের নবনির্বাচিত ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন- আজকের শিশু-কিশোররা আগামীর দেশ গড়ার কারিগর।
সবুজ বাংলা বিনির্মানে বৃক্ষরোপণে সবাই এগিয়ে আসুন: এমপি মুফতি আবুল হাসান সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) এর সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান এমপি
গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন জিডিএফ’র উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ফুলসাইন্দ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ‘দি এইডেড হাই স্কুল’-এর এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক
ফ্যাসিবাদী স্টাইলে ব্যাংক লুটপাটের চেষ্টা জনগণ সফল হতে দিবেনা ইসলামী ব্যাংকিং খাত ধ্বংস, গভর্নরের অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং ইসলামী ব্যাংকের