admin
প্রকাশিত: ৬:০২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
এমরান ফয়ছল : শীলং জুয়া ক্যান্সারের চেয়েও ভয়ানক রুপ ধারণ করেছে এতে ক্রমে ক্রমে বিদ্বস্থ হচ্ছে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ও বেকার যুবসমাজ তারা উপায় না দেখে ১০ টাকায় ৮০০/৭০০ টাকার লোভে এ পথে এগিয়ে যাচ্ছে। মহামারী এই জুয়া খেলাটি যুবসমাজসহ বৃদ্বরা ও জড়িয়ে যাচ্ছেন।
মোবাইলে শীলং তীর জুয়াড়ীরা প্রথমে বেকারদের যুবক টার্গেট করে ভারতের শিলং থেকে পরিচালিত ডিজিটাল জুয়া “শিলং তীর” খেলাটি লালাবাজার, নাজির বাজার, রশিদ পুর পরিচালিত হয়ে আসছিলো।ধীরে ধীরে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে উপজেলার প্রতিটি সমাজে প্রতিটি পরিবারে। যার কারণে বিষয়টি আইন শৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সচেতন মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।
স্থানীয় সুশীলদের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন, দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার, রশিদপুর ও নাজির বাজারে যে সব এজেন্টরা ছিলো বর্তমানে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শীলং তো শুধু জুয়া নয় এটি একটি মানি লন্ডারিং। আমাদের দেশের টাকা বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে। তাই আগামীর সম্ভাবনাময় লালাবাজার বাসীর জন্য খেলাটি সাময়িক বন্ধ নয় স্থায়ী ভাবে বন্ধ হওয়া উচিৎ।
অবাধে চলছে ভারতীয় ‘শিলংতীর’ নামক মোবাইলে খেলা। বিভিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দীর্ঘদিন থেকে এ জুয়া খেলা চালিয়ে আসছে তারা। এতে এলাকার নিরীহ ও গরিব লোকজন হচ্ছেন সর্বস্বান্ত। দীর্ঘদিন থেকে সিন্ডিকেট গঠন করে জুয়ার আসর নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে এ সিন্ডিকেট ও তার সহযোগিরা।
ভারতীয় ‘শিলং তীর’ নামক এ জুয়া খেলায় মোবাইলে গুটির টোকেন বিক্রি চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিদিন। এলাকার উঠতি বয়সী তরুণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ ক্রমেই বিপথগামী হচ্ছে। দীর্ঘদিন থেকে এ জুয়া খেলা চললেও প্রশাসন নীরব। জুয়াড়ি চক্রের সদস্যরা স্থানীয় এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে এ অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লালাবাজারসহ কয়েকটি এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে তাদের অবৈধ মোবাইল শিলং তীর। লালাবাজার নাজির বাজার রশিদ পুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মোবাইলে গুটি টোকেন কেটে যাচ্ছে এই চক্র। জুয়াড়িরা তাদের নিয়োগকৃত এজেন্টের মাধ্যমে এ জুয়া খেলা অব্যাহত রেখেছে। জুয়ার নেশায় আসক্ত হয়ে জুয়াড়িদের খপ্পড়ে পড়ে রিকশাচালক থেকে শুরু করে, ছোট ছোট দোকানদার, নিন্ম আয়ের লোকজন প্রতারিত হচ্ছেন। জুয়াড়িদের প্রলোভনে পা বাড়িয়ে টাকা পয়সা হারিয়ে অনেকে এখন দিশাহারা। স্বল্প আয়ের লোকজন সারাদিন কষ্ট করে টাকা উপার্জন করলেও তারা ঘরে খরচাপাতি না নিয়ে রোজগারকৃত এসব টাকা দিয়ে মোবাইলে জুয়া খেলছে প্রতিদিন। এ নিয়ে তাদের পরিবারে দেখা দিয়েছে অশান্তি।
জানা যায়, জুয়াড়িরা মোবাইলের মাধ্যমে মোবাইলে তীর খেলার টোকেন ক্রয় করে লোকজন। ১০ টাকায় ৭০০ টাকা, ১শ’ টাকায় ৭ হাজার ৫শ’ টাকা, ১ হাজার টাকায় ৭৫ হাজার টাকা পাওয়া যাবে- এমন প্রলোভন দেখিয়ে তারা এ জুয়া খেলা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন প্রলোভনে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন অসহায় ও গরিব লোকজন। আর ‘আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ’ হচ্ছে জুয়াড়িরা। এ জুয়া খেলা বন্ধের দাবিতে সম্প্রতি লালাবাজারসহ এলাকাবাসী জোর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তবে কোনো কাজ হয়নি বলে জানান এলাকাবাসী।
এবিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, বর্তমানে প্রশাসন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর প্রদক্ষেপ নিচ্ছে ও হার্ডলাইনে রয়েছে। আমরা খুব শিগগির দক্ষিণ সুরমা এলাকায় খুব বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করব তিনি আরও বলেন যেসব এলাকায় জুয়া ও মাদক ব্যবসা চালিত হয় সেইসব এলাকার সচেতন মানুষজন যদি সবাই মিলে সম্মিলিত ভাবে প্রদক্ষপ নেন তাহলে হয়ত সেটা দমন করা যেতে পারে।
সিলেটের সংবাদ ডেস্ক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে সিলেট আর্ট এন্ড
৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে হবে সিলেটের সংবাদ ডেস্ক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন,
সিলেট সিটি করপোরেশনের চৌকিদেখী এলাকার শাহপরান প্রি-ক্যাডেট একাডেমির শিক্ষার্থী মারিয়া মেহজাবিন মাওয়া “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” প্রতিযোগিতার উশু ইভেন্টে গোল্ড মেডেল
ড্রেজারে বালু কাটছে আলীম সিন্ডিকেট স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে, কোনো প্রকার টেন্ডার বা ইজারা ছাড়াই সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার
সাকির আমিন, ছাতক: সুনামগঞ্জের ছাতক সদর ইউনিয়নের আন্ধারী গাঁও,মল্লিক পুর,কেশব পুর ও বাউশা ডহর (গভীর) নামক স্থানে সুরমা নদীর ভাঙনে
সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়নাধীন পুটিকাটা বিল জলমহাল ১৪৩৩-১৪৩৫ বাংলা সনের চৈত্র পর্যন্ত সময়ের জন্য বার্ষিক ৩,০৮,২২৪ (তিন লক্ষ আট
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময়ই জনগণের আকাঙক্ষা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত
জাতীয় বাজেটে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ভাগ কৃষি খাতে বরাদ্দ ও হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানসহ ১০দফা দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক