admin
প্রকাশিত: 4:57 PM, June 8, 2026
আহসান হাবীব লায়েক, জকিগঞ্জ:
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় কুরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকারি বরাদ্দের লবণ বিক্রির অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একটি ফেসবুক পোস্টে সরকারি লবণ স্থানীয় বাজারে বিক্রির অভিযোগ তোলা হলেও উপজেলা প্রশাসন অভিযোগটিকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া’ বলে দাবি করেছে। এদিকে অনুসন্ধানে স্থানীয় কোনো দোকানে সরকারি লবণ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সম্প্রতি ‘জকিগঞ্জ আমার অহংকার’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশিত এক পোস্টে দাবি করা হয়, দারুল উলুম আনন্দপুর মাদ্রাসায় সংরক্ষিত সরকারি লবণ স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়েছে। পোস্টে বলা হয়, মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহমুদুর রহমান রায়হান বিষয়টি জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আব্দুর রউফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে লবণ বিক্রির কথা জানান।
পোস্টে আরও দাবি করা হয়, মাদ্রাসাটিতে মোট ৮০ বস্তা লবণ সংরক্ষণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৮ বস্তা মজুত রয়েছে এবং বাকি ৫২ বস্তা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন মাদ্রাসায় লবণ সরবরাহের কথা বলা হলেও পরে তা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়।
পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হলে পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয় বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইউএনওর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ‘টহড় তধশরমধহল ঝুষযবঃ’-এ দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ছবি ব্যবহার করে তাঁর নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া তথ্য প্রচার করা হয়েছে। পোস্টে আরও দাবি করা হয়, সরেজমিনে উপজেলা পরিষদের কয়েকজন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা বিষয়টি পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পাননি।
জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, “লবণ ওই মাদ্রাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী যাঁরা কুরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে লবণ বিতরণ করা হয়েছে।”
মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহমুদুর রহমান রায়হান বলেন, স্থানীয় আব্দুর রউফ মাদ্রাসায় লবণ সংরক্ষণের কাজে সহযোগিতা করেছিলেন। পরে তিনি মাদ্রাসা থেকে রফিকুল ইসলামের কাছে লবণ হস্তান্তর করেন।
লবণ গ্রহণকারীদের একজন রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রতি বছর সরকারি লবণ মাদ্রাসায় দেওয়া হতো এবং আমরা সেখান থেকে লবণ সংগ্রহ করতাম। এবার আমাকে ৪৭ বস্তা লবণ বিনা মূল্যে দেওয়া হয়েছে।”
এ বিষয়ে ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান বলেন, “আব্দুর রউফ লবণ সংরক্ষণ এবং লোড-আনলোডের কাজে সহযোগিতা করেছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী লবণ বিতরণ করা হয়েছে।”
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দারুল উলুম আনন্দপুর মাদ্রাসায় বর্তমানে ২৮ বস্তা লবণ সংরক্ষিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরিবহনের সময় তিন বস্তা লবণ নষ্ট হয়ে যায়। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কুরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উপজেলায় মোট ৮০ বস্তা লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে স্থানীয় বাজারের বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তবে সরকারি বরাদ্দের লবণ বাজারে বিক্রি হয়েছে-এমন কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে তা যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন-সংক্রান্ত কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলে সরাসরি যোগাযোগের অনুরোধও জানানো হয়েছে।
অর্থ আইন-২০২৬ এ ব্যক্তি করদাতাদের ২০২৬-২০২৭ কর বছরের আয়কর রিটার্নে যেসব বিষয় উল্লেখ বাধ্য করা হয়েছে, তা ব্যক্তি করদাতাকে ক্ষতিগ্রস্ত
‘দৈনিক সিলেটের সংবাদ’ পত্রিকার প্রথম পাতায় বিএনপি নেতা ফয়েজসহ ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন
ঘটনা আড়াল করতে কাদা দিয়ে আলামত গোপনের চেষ্টা সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বীরকুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি সম্পদ রক্ষায় চরম অবহেলার
সিলেটে পর্তুগালের ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে লাপাত্তা
দৈনিক সিলেটের সংবাদে খবর প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসল কর্তৃপক্ষ ওসমানীনগর প্রতিনিধি: দৈনিক সিলেটের সংবাদসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রে ওসমানীনগরে সরকারি গাছ কাটার
পারিবারিক সম্পর্কের সূত্রে প্রভাব বিস্তারের দাবি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন ফ্রান্সে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তার সঙ্গে অতীতে বিভিন্ন বিতর্কিত
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাতারাতি খোলস বদলে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে প্রকাশ্যে অবৈধ ‘বুঙ্গা’ (চোরাচালান) ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
‘সুরমা ট্রান্সপোর্ট’কে ঢাল বানিয়ে সীমান্তজুড়ে চোরাচালানের অভিযোগ স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের জাফলং, হরিপুর, জৈন্তাপুর, লালাখাল ও পায়রাখৈল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় চোরাই