admin
প্রকাশিত: 4:21 PM, February 17, 2026
শিপন আহমদ:
সিলেটের রাজনৈতিক মানচিত্রে আরিফুল হক চৌধুরী কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি লড়াকু অধ্যায়ের নাম। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর থেকে শুরু করে দুই মেয়াদে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, আর এখন সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাট-কোম্পানীগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার এই চার দশকের পথচলা যেমন ছিল উন্নয়নের ফুলেল তোড়ায় সাজানো, তেমনি ছিল কারাবরণ আর চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কণ্টকাকীর্ণ।
আরিফুল হক চৌধুরীর উত্থান ঘটেছিল বিএনপির ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে। তবে তার আসল পরিচয় গড়ে ওঠে সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মরহুম এম সাইফুর রহমানের হাত ধরে। সাইফুর রহমানের অত্যন্ত আস্থভাজন এবং ‘ডান হাত’ হিসেবে পরিচিত আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট পৌরসভার কাউন্সিলর থাকাকালীনই নিজের প্রশাসনিক দক্ষতার প্রমাণ দেন। সাইফুর রহমানের উন্নয়ন দর্শনের মূল বাস্তবায়নকারী ছিলেন তিনি, যা তাকে সিলেটের মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।
আরিফুল হক চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায় শুরু হয় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলায় তাকে আসামি করা হয় বলে বিএনপি দাবি করে আসছে। এই মামলার কারণে তাকে দীর্ঘ সময় জেল খাটতে হয়েছে। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম নির্যাতনের শিকার হন। কিন্তু কারাগারের লোহার গরাদ তার জনপ্রিয়তা কমাতে পারেনি। বরং জেল থেকেই তিনি সিলেটের মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার কেন্দ্রে চলে আসেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন, যা তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এক বিশাল নৈতিক বিজয় হিসেবে গণ্য হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের টানা শাসনামলে একজন বিরোধীদলীয় নেতা হয়েও দুইবার (২০১৩ ও ২০১৮) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়া ছিল এক অভাবনীয় কারিশমা। উন্নয়ন ও সাহসিকতা অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, রাস্তা প্রশস্তকরণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে তিনি যে কঠোরতা দেখিয়েছেন, তাতে তাকে সিলেটের মানুষ ভালোবেসে ‘বুলডোজার আরিফ’ উপাধি দেয়।
তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের সাথে কাজের ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য সমন্বয় বজায় রাখতেন, যার ফলে সিলেটের উন্নয়ন থমকে থাকেনি।
২০২৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আরিফুল হক চৌধুরী তার জনপ্রিয়তার চূড়ান্ত প্রমাণ দেন। সিলেট-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ভোট পান ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর হেভিওয়েট প্রার্থী জয়নাল আবেদীন পান মাত্র ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট।
লক্ষাধিক ভোটের এই বিশাল ব্যবধান প্রমাণ করে যে, সিলেটের মানুষ তাকে কেবল নগরপিতা হিসেবে নয়, বরং জাতীয় নেতা হিসেবেও গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে জামায়াত প্রার্থীর বিপুল পরাজয় সিলেটের রাজনৈতিক সমীকরণে আরিফ চৌধুরীর একচ্ছত্র আধিপত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
কাউন্সিলর থেকে সংসদ সদস্য হওয়ার এই দীর্ঘ যাত্রায় আরিফুল হক চৌধুরী বারবার প্রমাণ করেছেন যে, জনগণের ভালোবাসা থাকলে জেল-জুলুম কোনো বাধা হতে পারে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এম সাইফুর রহমানের শূন্যতা কাটিয়ে সিলেটের মানুষের জন্য একজন শক্তিশালী অভিভাবক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তিনি। কাউন্সিলর থেকে শুরু হওয়া সেই তৃণমূলের লড়াকু সৈনিক এখন জাতীয় সংসদের উচ্চাসনে।
শিক্ষকতা অত্যন্ত সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা মন্তব্য করে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন,
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড: মো: নিজাম উদ্দিন বলেছেন, ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতাই পারে জীবন রক্ষা করতে। হেড-নেক
২০২৬-২০২৭ করবর্ষে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের স্বার্থে পাশ হওয়া অর্থ আইন-২০২৬ সংশোধনের দাবি ও আইনটি সাধারণ করদাতাদের আর্থিক সামর্থ্যের বাইরে ব্যয়বহুল
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি সিলেট জেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬-২০২৮-এর তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার
সরকার বদলালেও অক্ষত সীমান্ত চোরাচালান সিলেটের সীমান্তগুলোতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবির মধ্যেই ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সক্রিয় রয়েছে শক্তিশালী চোরাচালান
পারভীন বেগম: আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে দক্ষ নেতৃত্ব, দেশের স্বার্থরক্ষা এবং জন্মভূমি সিলেটের আঞ্চলিক উন্নয়নে সুদূর প্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দ্রুতই সর্বমহলে
সরকারি বিধিমালা অমান্য করে সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) নিবাস
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ (সিওমেক) শাখা কমিটির সাবেক