admin
প্রকাশিত: 12:39 PM, August 1, 2026
মোহাম্মদ জুনেদ আহমদ
এনসিপির নেতারা ঘোষণা দিয়েছিলেন, মৌলভীবাজারের কর্মসূচি স্থগিত করে টপ-টু-বটম নেতৃত্ব নিয়ে হবিগঞ্জে এমন এক বিক্ষোভ হবে, যা নাকি রাজনৈতিক অঙ্গন কাঁপিয়ে দেবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পরিবেশ তৈরি করা হলো, যেন হবিগঞ্জে পৌঁছানো মাত্র জনতার ঢল নেমে আসবে।
কিন্তু রাজনীতির ময়দান আর ফেসবুকের টাইমলাইন এক জিনিস নয়। হবিগঞ্জে পৌঁছানো তো দূরের কথা, শ্রীমঙ্গলেই পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে গেল পুরো বহর। তারপর শুরু হলো অপেক্ষা। হয়তো মানুষ আসবে, হয়তো জুলাইয়ের মতো জনস্রোত তৈরি হবে, হয়তো কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যাবে। সেই আশায় একের পর এক লাইভ, পোস্ট আর স্লোগান।
কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল, জনতার সেই ঢল আর এলো না। শরিক দলেরাও দৃশ্যমানভাবে পাশে দাঁড়াল না। লাইভের উচ্ছ্বাস ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গেল। কারণ ক্যামেরা দিয়ে জনসমর্থন তৈরি করা যায় না; ক্যামেরা কেবল বাস্তবতাকেই তুলে ধরে। শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের কর্মসূচি এসে ঠেকল একটি মামলা দায়েরের চেষ্টায়। হবিগঞ্জে যাওয়ার অনুমতি না পেয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ক্যাম্পেই সেই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হলো। তারপর কর্মসূচির সমাপ্তি। কিন্তু সবচেয়ে বড় নাটক ঘটল মাঠে নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
বাস্তবে যেখানে কর্মসূচি এগোতে পারেনি, সেখানে অনলাইনে তৈরি হলো বিজয়ের গল্প। কোথাও লেখা হলো প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে ফেলা হয়েছে, কোথাও দ্বিতীয় ব্যারিকেডও অতিক্রম করার দাবি। আবার প্রথম আলো পত্রিকায় বলা হলো নেতারা হবিগঞ্জে পৌঁছে গেছেন। প্রশ্ন হলো, রাজনীতি কি এখন বাস্তবতার ওপর দাঁড়াবে, নাকি কল্পিত বর্ণনার ওপর? জনগণকে কি এতটাই সরল ভাবা হচ্ছে যে, তারা মাঠের ঘটনা আর ফেসবুকের গল্পের পার্থক্য বুঝবে না?সবচেয়ে বড় ভুলটি হচ্ছে জুলাইকে ভুলভাবে বোঝা।
জুলাইয়ের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, কোনো দল বা কোনো গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পদ ছিল না। সেই আন্দোলনের পেছনে ছিল একটি জাতীয় মনোভাব, একটি সময়ের বাস্তবতা এবং ব্যাপক জনঅসন্তোষ। সেই বাস্তবতা থেকেই মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। আজ সেই বাস্তবতা নেই। তাই জুলাইয়ের আবেগকে রাজনৈতিক শর্টকাট হিসেবে ব্যবহার করতে গেলে হতাশাই সঙ্গী হবে। রাজনীতিতে স্মৃতি কাজে লাগে, কিন্তু স্মৃতির ওপর ভর করে জনসমর্থন তৈরি হয় না। জনসমর্থন আসে বিশ্বাস থেকে, ধারাবাহিকতা থেকে এবং মানুষের পাশে থাকার মাধ্যমে। আজকের বাংলাদেশ ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বাংলাদেশ নয়। জনগণ এখন আরও সচেতন। তারা স্লোগানের চেয়ে ফলাফল দেখে, প্রচারণার চেয়ে বাস্তবতা বিচার করে এবং রাজনৈতিক দাবির সঙ্গে মাঠের চিত্র মিলিয়ে দেখে।
রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় ভুল হলো নিজের প্রচারণাকেই বাস্তবতা মনে করা। যে দল এই ভুল করে, তারা একসময় করতালিকে জনসমর্থন আর ফেসবুকের পোস্টকে গণআন্দোলন ভেবে বসে। জুলাই ইতিহাসের একটি অধ্যায়। কিন্তু ইতিহাসকে বারবার মঞ্চে অভিনয় করে বর্তমানের জনসমর্থন অর্জন করা যায় না। জনগণ আবেগের পুনঃপ্রচার নয়, বাস্তবতার রাজনীতি দেখতে চায়। আর সেই বাস্তবতাই বলে ঘোষণা দিয়ে জনতার ঢল আনা যায় না; জনতার আস্থা অর্জন করতে হয়। লেখক: ফ্রান্স প্রবাসী।
মোহাম্মদ জুনেদ আহমদ এনসিপির নেতারা ঘোষণা দিয়েছিলেন, মৌলভীবাজারের কর্মসূচি স্থগিত করে টপ-টু-বটম নেতৃত্ব নিয়ে হবিগঞ্জে এমন এক বিক্ষোভ হবে, যা
বাংলাদেশে অনতিবিলম্বে পর্তুগালের ভিসা অফিসের কার্যক্রম চালু এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার ও সৌদি এয়ারলাইন্সসহ আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোকে সরাসরি চলাচলের
বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা শাখার উপদেষ্টা মো: আলীমুজ্জামান ও সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মো:
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় সরকারি রাস্তা চিহ্নিতকরণের নামে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন ভূমিতে সীমানা খুঁটি স্থাপন এবং বিদ্যমান সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলার নির্দেশের
অনুসন্ধানে তরিকুল-খলিলের চালিবন্দর আস্তানা উন্মোচন সিলেটের সীমান্তজুড়ে আওয়ামী লীগের প্রভাবে গড়ে ওঠা বহুল আলোচিত ‘তরিকুল সিন্ডিকেট’ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও বহাল
নেপথ্যে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা দিবাকর ধর নগরীর প্রাণকেন্দ্র বন্দরবাজারের ঠিক পাশেই অবস্থিত কাষ্টঘর হরিজন (সুইপার) কলোনি এলাকা এখন ছিনতাইকারী
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৯ নম্বর ফাইলগাঁও ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা, সরকারি সুবিধা বণ্টনে অনিয়ম এবং সরকারি বরাদ্দের
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির ১০ নেতার