admin
প্রকাশিত: 4:19 PM, February 17, 2026
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
সেই ২০০৪ সালে পৌর চেয়ারম্যান হিসেবে যাত্রা শুরু। এরপর টানা তিনবার মেয়র। আর এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে জায়গা করে নিলেন আলহাজ জি কে গউছ। হবিগঞ্জ-৩ (সদর, লাখাই, শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়েছেন। ৯৬ হাজার ৭৪৯ ভোটের বিশাল ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পৌর ভবন থেকে সংসদ ভবন- এই দীর্ঘ পথচলা কেবল রাজনৈতিক সাফল্যের ইতিহাস নয়, সাফল্যের গল্প নয়; এটি সংগ্রাম, ত্যাগ, সাহস ও জনআস্থার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বহু চক্রান্ত, কারাবরণ, প্রাণনাশের চেষ্টা- সবকিছু পেরিয়ে আজ তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য।
বিজয়ের এই মুহূর্তে হবিগঞ্জ শহর জুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ, আনন্দ আর আবেগের ঢেউ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংসদে থেকেও তিনি হবিগঞ্জের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আগের মতোই সোচ্চার থাকবেন। হবিগঞ্জের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো তার এই বিজয়ের মধ্যদিয়ে। স্থানীয়দের ভাষায়, গউছ একজন ক্যারিশমেটিক লিডার। অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু জনগণ থেকে তাকে আলাদা করা যায়নি। কেউ বলেন, মানুষকে কাছে টানার এক অদ্ভুত জাদু আছে তার হাতে। তিনি হাঁটলে মিছিল হয়, বসলে তা সভায় পরিণত হয়। হবিগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তিনি নিজেকে জনমানুষের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
টানা তিনবার মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রমাণ করেন এ শহরের মানুষের হৃদয়ে তার আলাদা জায়গা রয়েছে। এবার সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে জাতীয় রাজনীতিতেও। দীর্ঘ ৪১ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত গউছ। হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক থেকে তিনি এখন বিএনপি’র সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছানো তার এই পথচলা নেতাকর্মীদের কাছে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথ সরব রাখার ইতিহাস তার দীর্ঘ। তবে তার রাজনৈতিক জীবন কখনোই মসৃণ ছিল না। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বারবার প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতি, ঘাত-প্রতিঘাত, অসংখ্য রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়ে ১৫১৭ দিন কারাভোগ- সবকিছুই অতিক্রম করেছেন দৃঢ় মনোবল নিয়ে। এমনকি কারাগারে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।
দলীয় ও বহিরাগত নানা ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও তিনি থেমে যাননি। প্রয়াত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল রাজনৈতিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই রাজনীতির পাশাপাশি হবিগঞ্জের উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন। একসময় ‘পায়জামা শহর’ হিসেবে খ্যাত হবিগঞ্জ পৌরসভাকে আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের কৃতিত্ব রয়েছে তার। রাস্তাঘাট উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি- সবমিলিয়ে তিনি নিজেকে উন্নয়নবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দুইবার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। ১৯৬৮ সালের ২০শে এপ্রিল হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন গউছ। তার পিতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ গোলাম মর্তুজা লাল মিয়া এবং মাতা সমাজসেবিকা আলহাজ মঞ্জিলা বেগম।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন দেশের সকল সিটি
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা মাহফুজা হান্নান এমপি বলেছেন, সন্তানের মানসিক ও নৈতিক বিকাশে মায়ের ভূমিকা অপরিহার্য। একজন
মো. আল আমীন, জগন্নাথপুর: সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ-বেগমপুর রাস্তা সংস্কারের দাবীতে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে
যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা হেলাল চৌধুরী যুক্তরাজ্য থেকে জন্মভূমি সিলেটে আগমন উপলক্ষে এক বিশাল সংবর্ধনা
সিলেটের সংবাদ ডেস্ক: সিলেট ও এর সন্নিহিত এলাকাকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও টেকসই পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ডে অগ্নিঝুঁকি মোকাবিলা ও দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে কলোনির মালিক ও কেয়ারটেকারদের মাঝে ফায়ার এক্সটিংগুইশার বিতরণ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি: নং-বি-১৮৮৬)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি, সিলেট