admin

প্রকাশিত: ৬:২০ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৬

বাজেটে সিলেটের জন্য রেকর্ড বরাদ্দ খন্দকার মুক্তাদিরের উন্নয়ন ভাবনায় নতুন আশার আলো

বাজেটে সিলেটের জন্য রেকর্ড বরাদ্দ খন্দকার মুক্তাদিরের উন্নয়ন ভাবনায় নতুন আশার আলো

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেট শুধু একটি অঞ্চল নয়; এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির এক শক্তিশালী ভিত্তি, প্রবাসী আয়ের প্রধান উৎস, চা শিল্পের প্রাণকেন্দ্র এবং দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী। অথচ দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, স্বাস্থ্যসেবার সংকট, শিক্ষার প্রসারে প্রতিবন্ধকতা এবং বারবার বন্যার দুর্ভোগ এই সম্ভাবনাময় জনপদের অগ্রযাত্রাকে ধীর করে রেখেছিল। সেই প্রেক্ষাপটে এবারের জাতীয় বাজেটে সিলেটের জন্য রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ নিঃসন্দেহে এক যুগান্তকারী ঘোষণা। আর এই উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রে যাঁর নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিলেটের উন্নয়নের যে মহাপরিকল্পনা সামনে এসেছে, তা কেবল কয়েকটি প্রকল্পের তালিকা নয়; এটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের এক সুদূরপ্রসারী নকশা।

এবারের বাজেটে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে। ঢাকা-সিলেট চার লেন মহাসড়ক দ্রুত বাস্তবায়ন, সিলেট-তামাবিল সড়ক উন্নয়ন এবং রেলওয়ে অবকাঠামোর আধুনিকায়ন সম্পন্ন হলে সিলেটের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন সহজ হবে, তেমনি বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের নতুন দ্বার উন্মুক্ত হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের উন্নয়ন দর্শনের বিশেষত্ব হলো—তিনি শুধু সড়ক ও দালানকোঠা নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি উপলব্ধি করেছেন, একটি অঞ্চলের প্রকৃত উন্নয়ন আসে মানুষের জীবনমানের উন্নতির মধ্য দিয়ে। তাই স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতেও বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো সিলেটকে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও মানবসম্পদসমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করার মূল ভিত্তি তৈরি করবে।

যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন—সব খাতকে একই সুতোয় গেঁথে সিলেটকে আগামী দিনের অর্থনৈতিক হাবে পরিণত করার এক সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

বছরের পর বছর বন্যার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সিলেটবাসীর জন্য এবারের বাজেটে রয়েছে বড় স্বস্তির বার্তা। সুরমা-কুশিয়ারাসহ প্রধান নদীগুলোর খনন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং বন্যা প্রতিরোধ অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল একটি প্রকল্প নয়, বরং হাজারো কৃষক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের জীবনে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বড় উদ্যোগ। দীর্ঘমেয়াদে এই পদক্ষেপ সিলেটের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পর্যটন খাতেও এসেছে নতুন সম্ভাবনার সুবাতাস। জাফলং, রাতারগুল, বিছানাকান্দি ও শ্রীমঙ্গলের মতো বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্যগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার এবং পর্যটকসেবা সম্প্রসারণের বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু সরকারের রাজস্ব আয়ই বাড়বে না, বরং স্থানীয় পর্যায়ে হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

নিঃসন্দেহে বাজেটের এই ঘোষণা সিলেটবাসীকে নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এই আশার প্রকৃত মূল্যায়ন হবে সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে। যদি ঘোষিত প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হয় এবং বরাদ্দের শতভাগ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, তাহলে সিলেট শুধু বাংলাদেশের অন্যতম আধুনিক অঞ্চল হিসেবেই নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

উন্নয়নের সেই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির। তাঁর হাত ধরে আসা এই রেকর্ড বরাদ্দ শুধু একটি বাজেট নয়, এটি সিলেটের ভবিষ্যৎ নির্মাণের অঙ্গীকার এবং একটি নতুন সমৃদ্ধ অধ্যায়ের সূচনা। সময়ই বলে দেবে এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তবে সিলেটের উন্নয়নের ইতিহাসে এই বাজেট এবং খন্দকার মুক্তাদিরের ভূমিকা দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।


আরো সংবাদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ সংবাদ

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতি। সোমবার (১৫ জুন)

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: সিসিক প্রশাসক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, “পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

সিলেটের আলোচিত হত্যা মামলাগুলোর দ্রুত বিচার প্রত্যাশা সিলেট নগরীতে অপরাধ দমন, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

নগরীর প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা সম্প্রসারণ করছি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

শুয়াইবুর রহমান: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাড়া, কুমারপাড়া, নয়াখেল ও ভিতরিখেল গ্রামের চিত্র যেন এখনো কয়েক দশক আগের গ্রাম

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে মোশাহিদ ওরফে রাজু (৩৬)নামে ডাকাতি ও হত্যাসহ মোট ১৩ মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোশাহিদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শহিদুর রহমান, বিয়ানীবাজার: বাংলাদেশ পুলিশ, সিলেট রেঞ্জের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা (ক্রাইম কনফারেন্স) ও কল্যাণ সভায় পেশাগত