admin
প্রকাশিত: ৫:২৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
মো. নুরুল ইসলাম:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই সিলেটে বইতে শুরু করেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হাওয়া। পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ গোছাতে শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান। ফলে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ‘ইফতার রাজনীতি’।
প্রতি বছর রমজান মাসে রাজনৈতিক দল ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে থাকলেও, নির্বাচনী বছরে এই আয়োজনগুলো ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে জয়ী এমপি ও মন্ত্রীরা ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বার্তা দিতে ইফতার মাহফিলকে বেছে নিচ্ছেন। অন্যদিকে, যারা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেননি বা জয়ী হননি, তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ সুদৃঢ় করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক সপ্তাহ পার না হতেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ডামাডোল বাজতে শুরু করেছে। গতকাল সকালে সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ শেষে নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করে স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিত্ব সংকট দূর করা হবে।
মন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর সিলেটে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তৎপরতা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশন, সদর, গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজারসহ বিভিন্ন উপজেলার সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীরা এখন থেকেই মসজিদভিত্তিক ইফতার, এতিমখানায় খাবার বিতরণ এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার কর্মসূচি হাতে নিচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের ইফতার মাহফিলগুলো শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সম্পর্ক পুনর্গঠন ও শক্তি প্রদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। সিলেটে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা যেমন ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করছেন, তেমনি অনেক স্থানে একই দলের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর ইফতার আয়োজনকে কেন্দ্র করে ‘নীরব প্রতিযোগিতা’ও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সদ্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া নেতারাও নিজ নিজ এলাকায় ধারাবাহিক ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে তৃণমূলের আস্থা অর্জনই এখন সব দলের প্রধান লক্ষ্য। সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভা ঘুরে দেখা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ডিজিটাল ব্যানার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রমজানের শুভেচ্ছার আড়ালে নিজেদের নির্বাচনী আকাঙ্খা প্রকাশ করছেন। স্থানীয় ভোটারদের ইতিবাচক ধারণা দিতে দান-খয়রাত ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই রমজানের এই ‘ইফতার রাজনীতি’ স্থানীয় নির্বাচনের মাঠ অনেকটাই গরম করে তুলবে বলে ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। শেষ পর্যন্ত ইফতারের এই টেবিলগুলো থেকে কোন রাজনৈতিক সমীকরণ বেরিয়ে আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেটের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর স্টেশন রোডের লেইছ সুপার মার্কেটস্থ প্রেসক্লাব
সাংবাদিকতা রাষ্ট্র, সমাজ ও জনগণের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। সমাজের নানা ঘটনা, সমস্যা, সম্ভাবনা, সাফল্য ও সংকটের চিত্র সত্যনিষ্ঠভাবে
বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে খাবার শুধু ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ নয়; এটি একটি সংস্কৃতি, একটি পরিচয় এবং একটি গল্প। সেই গল্পকে বিশ্বমঞ্চে
পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন কুমিল্লা রেল স্টেশনের পাশেই দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। একদিকে আধুনিক ও
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। ‘স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট
স্টাফ রিপোর্টার: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাশিয়া খাল
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান বলেছেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক ও ভালো কাজে সফলতার জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
আগামী ২ মে শনিবার সিলেট সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে ঘিরে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে সিলেটের রাজনৈতিক