admin

প্রকাশিত: ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৬

১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দের সাথে বিরোধী দলীয় নেতার মতবিনিময়

১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দের সাথে বিরোধী দলীয় নেতার মতবিনিময়

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমরা কোনো আপোষ করব না : ডা. শফিকুর রহমান, এমপি

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা: শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোন আপোষ করবেনা। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সাথে কোন আপোষ করেন নি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আমরা পিছপা হবোনা। সংসদে সমাধান হলে রাজপথে আন্দোলন চলবে। গণরায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করেই ছাড়বো।

তিনি বলেন, ভালো নির্বাচন হলেই ভালো শাসক হওয়ার প্রমাণ নেই। রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে বর্তমান সরকার জুলাই সনদকে উপেক্ষা করেছে এবং প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের দেয়া গণভোটের রায়কে বাতিল করেছে। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে আমরা ফলাফল মেনে নিয়েছিলাম।

সীমান্তে অব্যাহত উত্তেজনা চলছে জানিয়ে জামায়াত আমীর বলেন, ওপার থেকে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। আমরা দুই দুইবার স্বাধীন হলাম, কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা পেলাম কী? জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আমরা কোনো আপোষ করব না।

গতকাল রবিবার রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। মতবিনিময় কালে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সভায় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ ও সিলেটে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের ফলাফলে কারসাজির অভিযোগ তুলে ডা: শফিক বলেন, আমরা সাড়ে ১৭ বছর একটা কঠিন অবস্থা অতিক্রম করেছি। সাড়ে ১৭ বছর পর এবার একটা অর্থবহ নির্বাচন জাতি আশা করেছিলো। আমার ব্যক্তিগত মত, নির্বাচন সুন্দর হয়েছে। কিন্তু ফলাফল সুন্দর হয়নি। ফলাফলে অনেককিছু করা হয়েছে। যেটা এখন অনেকে স্বীকার করছেন। আমরা দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি। ফলাফল মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা ছিলো। আর যেসব দেশে একবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে তারা আর এর থেকে বের হতে পারেনি।

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে ডা. শফিক বলেন, বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্বতার বিরুদ্ধে রেড এলার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন। কিন্তু তিনি দুবাইর কারাগারে থাকবেন নাকি দেশে আনা হবে তা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।

সংসদে নিজেদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদে বিরোধী দল চরমপন্থা ও গরমপন্থা অবলম্বন করবে না, মধ্যমপন্থা অবলম্বন করবে। সংসদকে আর আমরা মমতাজের সংসদ বানাতে চাই না। তিনি বলেন, আজকেও সংসদে একজন দাঁড়ালেন, আল্লাহর বিধার পর্দার বিরুদ্ধে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলেন। সরকারি দল ইতোমধ্যে স্পষ্টভাবে জাতির সাথে দেওয়া ওয়াদা লঙ্ঘন করেছে দাবি করে জামায়াত আমীর বলেন, জনগণের রায় ব্যর্থ হলে টেকসই গণতন্ত্র বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে লড়াই চলবে। তবে সরকার দায়িত্বশীল আচরণ করলে দেশ ভাল থাকবে।

প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাজেটে অনেককিছু ওয়েভার এসেছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও মোটরসাইকেলের ওপর সরকার কর বসাবে কি না সেটা জানতে চান তিনি। দুর্নীতি বন্ধ আর দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে কি না এই দু’টি বিষয়ের স্পষ্ট উল্লেখ নাই বাজেটে। তিনি বলেন, এদেশে এক কোটি মানুষ ট্যাক্স দেওয়ার মত আছেন, তাহলে শুধু ৩৪ লাখ কেন?

পুশইন সম্পর্কে বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ বিজিবির সহযোগী হয়ে উসকানির সৃষ্টি হয় এমন কোন কাজ আমরা মেনে নেবো না। সেটা যদি মুসলমানরা করে, তাও মেনে নেবো না। অন্য ধর্মের কেউ করলেও মেনে নেবো না। এ দেশ আমাদের সবার। যেটা করলে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা হয় সেটা করতে হবে। সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিলেট জেলা আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ ও মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা এমরান আলম, লেবারপার্টির সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, এলডিপির সিলেট জেলা সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী ও জেলা সেক্রেটারী মোঃ জয়নাল আবেদীন প্রমূখ।


আরো সংবাদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ সংবাদ

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতি। সোমবার (১৫ জুন)

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: সিসিক প্রশাসক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, “পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

সিলেটের আলোচিত হত্যা মামলাগুলোর দ্রুত বিচার প্রত্যাশা সিলেট নগরীতে অপরাধ দমন, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

নগরীর প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা সম্প্রসারণ করছি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

শুয়াইবুর রহমান: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাড়া, কুমারপাড়া, নয়াখেল ও ভিতরিখেল গ্রামের চিত্র যেন এখনো কয়েক দশক আগের গ্রাম

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে মোশাহিদ ওরফে রাজু (৩৬)নামে ডাকাতি ও হত্যাসহ মোট ১৩ মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোশাহিদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শহিদুর রহমান, বিয়ানীবাজার: বাংলাদেশ পুলিশ, সিলেট রেঞ্জের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা (ক্রাইম কনফারেন্স) ও কল্যাণ সভায় পেশাগত