admin

প্রকাশিত: ৭:৫২ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৬

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

শুয়াইবুর রহমান:

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাড়া, কুমারপাড়া, নয়াখেল ও ভিতরিখেল গ্রামের চিত্র যেন এখনো কয়েক দশক আগের গ্রাম বাংলার প্রতিচ্ছবি। আধুনিক সভ্যতার নানা সুবিধা যখন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পৌঁছে যাচ্ছে, তখনও এসব গ্রামের অনেক পরিবার বসবাস করছে মাটির তৈরি ঘরে। প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে মাটির ঘরগুলো আজও টিকে থাকলেও এর পেছনে লুকিয়ে আছে মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, কষ্ট আর সংগ্রামের গল্প।

গ্রামগুলোতে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে সারি সারি মাটির ঘর। কোথাও খড়ের ছাউনি, কোথাও টিনের ছাদ দিয়ে কোনোমতে টিকে আছে বছরের পর বছর। একসময় এসব ঘর ছিল গ্রাম বাংলার মানুষের প্রধান আশ্রয়স্থল। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ পাকা ঘরে বসবাসের সুযোগ পেলেও চারিকাটার অনেক পরিবার আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এখনো মাটির ঘরেই জীবন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা মৌসুম এলেই তাদের উদ্বেগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে মাটির দেয়াল নরম হয়ে পড়ে। অনেক সময় দেয়ালের অংশবিশেষ ধসে যায়, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরো ঘরই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বৃষ্টির রাতে পরিবারগুলোকে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে অনেকেই আতঙ্কে থাকেন—কখন না আবার ঘর ধসে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে।

তবে শুধু আবাসনের সমস্যাই নয়, এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার অন্যতম বড় সংকট বিশুদ্ধ পানির অভাব। অনেক এলাকায় নিরাপদ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পানি সংগ্রহ করতে হয় গ্রামবাসীদের। অন্যদের কাছে যেখানে বিশুদ্ধ পানি একটি সাধারণ নাগরিক সুবিধা, সেখানে এসব গ্রামের মানুষের কাছে তা এখনো সংগ্রামের বিষয়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের এই কষ্ট সবচেয়ে বেশি পোহাতে হয়।

শিক্ষা ব্যবস্থার অবস্থাও খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পর্যাপ্ত শিক্ষক এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ছে। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক পরিবার সন্তানদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে পারেন না। ফলে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নতুন প্রজন্মের একটি অংশ।

স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে অনেক সময় দূরের স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা উপজেলা সদরে যেতে হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা গ্রহণও অনেক পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর চারিকাটা ইউনিয়নের এই গ্রামগুলোতে রয়েছে সবুজ প্রকৃতি, কৃষিনির্ভর জীবন এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা উপাদান। কিন্তু সেই সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে উন্নয়নবঞ্চিত মানুষের দীর্ঘশ্বাস। স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও অনেক মৌলিক সুবিধা থেকে এখনো বঞ্চিত রয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং জনপ্রতিনিধিরা যদি এই জনপদের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন, তাহলে বদলে যেতে পারে পুরো এলাকার চিত্র। নিরাপদ আবাসন, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে চারিকাটার এই অবহেলিত জনপদের মানুষও উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত হতে পারবেন।

প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য বহনকারী মাটির ঘরগুলো আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তবে এসব ঘরের দেয়ালে শুধু মাটির গন্ধই নয়, লেগে আছে শত শত মানুষের বঞ্চনা, সংগ্রাম এবং একটি সুন্দর জীবনের স্বপ্ন। চারিকাটার মানুষ এখনো অপেক্ষা করছেন সেই দিনের, যেদিন উন্নয়নের আলো সত্যিকার অর্থে পৌঁছে যাবে তাদের দোরগোড়ায়।


আরো সংবাদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ সংবাদ

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতি। সোমবার (১৫ জুন)

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: সিসিক প্রশাসক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, “পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

সিলেটের আলোচিত হত্যা মামলাগুলোর দ্রুত বিচার প্রত্যাশা সিলেট নগরীতে অপরাধ দমন, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

নগরীর প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা সম্প্রসারণ করছি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

শুয়াইবুর রহমান: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাড়া, কুমারপাড়া, নয়াখেল ও ভিতরিখেল গ্রামের চিত্র যেন এখনো কয়েক দশক আগের গ্রাম

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে মোশাহিদ ওরফে রাজু (৩৬)নামে ডাকাতি ও হত্যাসহ মোট ১৩ মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোশাহিদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শহিদুর রহমান, বিয়ানীবাজার: বাংলাদেশ পুলিশ, সিলেট রেঞ্জের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা (ক্রাইম কনফারেন্স) ও কল্যাণ সভায় পেশাগত