admin

প্রকাশিত: ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০২৬

সিলেটে তারেক রহমানের আগমন ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণ

সিলেটে তারেক রহমানের আগমন ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণ

স্বতন্ত্র ও বিকল্পদের সরালেই ভোটের জোয়ারে ভাসবে বিএনপি

স্টাফ রিপোর্টার:
লিডার আসছেন সিলেটে। আগামী ২২ জানুয়ারী ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণ ঘটবে সিলেটজুড়ে। গণমানুষের প্রত্যাশাও এক নজর দেখার অতৃপ্ত বাসনা পূরণ হবে কোটি সিলেটবাসীর। বিএনপির প্রধান হিসেবে যেমন, তেমনি নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতার এ অভিষেক সংযুক্ত হবে দেশের সাথে সিলেটের গৌরবোজ্জল অধ্যায়ে।

দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় নির্বাসিত জীবন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর সিলেটে হয়ে দেশের মাটিতে পা রেখেছিলেন তারেক রহমান। কিন্তু দেখা হয়নি সিলেটবাসীর সাথে। বারণ ছিল বিমানবন্দরে যেন জড়ো না হন নেতাকর্মীরা। কথা রেখেছে তারা, কিন্তু না দেখার অতৃপ্তি রয়েছে গেছে অন্তকরণে। এই সিলেটে সাথে তারেক রহমানের সর্ম্পক সুগভীর। বৈবাহিক বন্ধনে আটঘাঁট বেঁধেছিলেন সিলেটি কন্যা ডা. জোবাইদা রহমানের সাথে। জোবাইদার বনেদি পরিবার সিলেটবাসীর কাছে সমাদৃত ও সমীহের অনন্য ঠিকানা। সেকারনে তারেক রহমান নিজেই বলেছেন তিনি ’হাফ সিলেটি’। সর্ম্পকের এমন সুন্দরতম প্রকাশে তারেক ও জোবাইদাতে অনন্যতায় পৌছে গেছে সিলেটজুড়ে বিএনপি। নানারূপে রসে সেই সর্ম্পক নিয়ে চলছে বিশ্লেষন।

সিলেট জুড়ে জামাই আদরের বাস্তবতায় রয়েছে অপূর্ব এক রীতি নীতি। সেই ’আদর’ ভোটের জোয়ারে ভাসবে ধানের শীষ। এই সিলেটের সাথে সর্ম্পকের বর্ণনা এখানে শেষ নয়, অতীত সর্ম্পকও ঐতিহাসিক। মুক্তি যুদ্ধে সিলেটে যুদ্ধ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। বিশেষত জেড ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে সিলেট অঞ্চলের অনেক অঞ্চলে অপারেশন পরিচালনা করেন তিনি।

১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে সিলেট রেল ষ্টেশনে পাক হানাদার বাহিনীর আত্নসমর্পণ নেতৃত্ব দেন তিন। ইতিহাসে সেই দিনটি পালিত হয় সিলেট মুক্ত দিবস হিসেবে। মুলত সিলেট মুক্ত দিবসে তার ভূমিকা অবিস্মরনীয়, সেই অবিস্মরনীয় কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ বীর উত্তম খেতাব লাভ করেন তিনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ারউর রহমানে সেই অবদানকে আজও ভূলেনি সিলেটে ধর্মপ্রাণ মানুষ। প্রজন্মের পর প্রজন্মের ধারাবাহিকতায় আজও জিয়াউর রহমান ও জিয়া পরিবারের প্রতি অফুরন্ত দরদ ভালোবাসা সিলেটবাসীর।

আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেটে দলীয়ভাবে নির্বাচনী প্রচারনায় পদস্পর্শ করলেও ভেতরে ভেতরে আপামর জনমনে লালন ও প্রস্তুতি চলছে তারেক বরণে। ওই দিন ঘটবে কল্পনাতীত জন জোয়ার। এতোদিন তারেককে দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া, কেবল দুর থেকে অনুভবের অলিন্দে রেখেছিলন যতনে তারা। কিন্তু এবার তারা দেখবেন, শুনবেন তারেক রহমানের তেজদীপ্ত দেশপ্রেমের বয়ান। সেই বয়ানে অনেক দুর এগিয়ে যাবে বিএনপির ধানের শীষ। কিন্তু বিএনপির পথে পথে কিছূ কাঁটা, এখন যেন ধানের শীষে আগাছা। সেই আগাছা দ্রুত সরানোর কাজ তারেক রহমানকে করতে হবে নিজ হাতে-ই। সেই অসম্ভব, সম্ভব করতে পারবেন তিনি নিজেই।

সুনামগঞ্জ জেলা যুব দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসান চৌধুরী বলেন, মানুষ ধানের শীষকে ভোট দিতে উদগ্রীব। কিন্তু স্বতন্ত্র ও বিকল্পদের জোর তো অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বড় দলে এই সমস্যা যেমন বাস্তবতা, কিন্তু দুর করতে পারাই দল ও সাধারন ভোটারদের কাছে সফলতা। সেই সফলতায় ব্যর্থ হলে, কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়বে ভোট রাজনীতিতে বিএনপি। তিনি বলেন, স্বতন্ত্র ও বিকল্পরা মনোনয়নে দৌড়ে নিজের অনুসারীদের এমন একটি অবস্থানে নিয়ে গেছেন, দল মনোনীত প্রার্থীদের সাথে এখন দা-কুমড়া সর্ম্পক। স্বতন্ত্র ও বিকল্পরা দলের আশ্বাসে ও ভবিষ্যত প্রতিশ্রুতিতে নিজের হিস্যা বুঝে মাঠ ছাড়লেও অনুসারীদের অবস্থান কিভাবে সামাল দিবেন তারা। মোটকথা অনুসারীদের নিয়ে দল মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে স্বতন্ত্র ও বিকল্পরা ঐক্যবন্ধভাবে মাঠে না নামলে, ধানের শীষের বিপদ।

সেই কাজটি করতে হবে লিডারকে। তিনি বলেন, সুনামগঞ্জজুড়ে তারেক রহমানের আগমনী বার্তায় ছড়িয়ে পড়েছে উচ্ছ্বাস। দল মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে সেই উচ্ছ্বাস আকাশ ছোঁয়া। বিপরীতে বঞ্চিতদের মধ্যে নেই আনন্দ অনেকটা ম্রিয়মান। তার ছাপ পড়ছে জনমানুষের মধ্যে। অথচ সময় এখন ধানের শীষের। জয়ের ও আগামীর বাংলাদেশ গড়ার। এদিকে, সিলেটেও গণমানুষের প্রত্যাশা ও প্রতীক্ষা চলছে তারেক রহমান ঘিরে। কারন এই মাঠি থেকে ত্রয়োদশ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু করবেন দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে তিনি। অলংকিত পদের ঐতিহাসিক কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে এক অভিষেক হবে সিলেটে। বর্তমান ও ভবিষ্যতের পাতায় জ্বল জ্বল থাকবে এই দিনটির প্রতিটি মুর্হুত। সেই মুর্হুতের স্বাক্ষী হবে কোটি সিলেটবাসী। সেকারনে তারেক আগমনের আওয়াজ এখন সর্বত্র। সিলেটজুড়ে চলছে বহুবিধ আয়োজন ও উদ্দীপনা। দলীয় গন্ডির বাইরে আমজনতার আয়েসি আড্ডা কিংবা সামাজিক, সভা বৈঠকেও আলোচনার খোরাক তারেক রহমানের সিলেট আগামনের তথ্য।

কারন তিনি শুধু বিএনপির চেয়ারপার্সন নন, সিলেটের জামাইও । তাই বাড়তি আকর্ষণও তাকে ঘিরে। আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত শনিবার এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিএনপির মিডিয়া সেল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর সিলেট নগরী থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং পরদিন ২২ জানুয়ারি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেট সফরে আসবেন বলে নিশ্চিত করেছে দলীয় সূত্র।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, ওইদিন তারেক রহমান হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরাণ (র.)– এর মাজার জিয়ারত করবেন। দরগাহ হযরত শাহজালাল রহ. পরিচালনা সূত্র বলছে, জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা মাজারে তারেক রহমানের উপস্থিতি সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পাদনা করবেন। তারপরও মাজার সংশ্লিষ্ট স্থানীয় দায়িত্বশীলরা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কারন তারেক রহমানের এ আগাম প্রত্যাশিত ও ঐতিহাসিক। সেই মুর্হুত স্মরণীয় রাখতে আলোচনা ও প্রস্তুতি চলছে। মাজার জেয়ারত শেষে তারেক রহমান রওয়ানা হবেন সুনামগঞ্জের পথে। সুনামগঞ্জ সদরে বালু মাঠের নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিবেন তিনি।

এছাড়া পথে পথে পথ সভায়ও অংশ নিয়ে ধানের শীষ বিজয়ের আহ্বান জানাবেন তারেক রহমান। এরপর ওইদিন ফিরবেন সিলেটে। এসে বিকেলে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরীর দাবি, এটি স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ জনসভা হতে যাচ্ছে এবং জনসভা ঘিরে সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে।

দলীয় সূত্রগুলোর ভাষ্য, এই জনসভার মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে বিএনপি। অপরদিকে, সিলেট পর্ব শেষে করেই দিনে হবিগঞ্জেও জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান। বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গৌছ গতকাল বিকেলে হবিগঞ্জে এক দোয়া মাহফিলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় হবিগঞ্জ পৌরসভা মাঠে আয়োজিত ওই দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি তারেক রহমান সিলেটে আসবেন। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার পথে হবিগঞ্জ পৌরসভা মাঠে স্মরণকালের এক বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। হবিগঞ্জের দলীয় অনুষ্ঠান শেষে করে মৌলভীবাজারের পথে রওয়ান হবেন তারেক রহমান।


আরো সংবাদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ সংবাদ

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতি। সোমবার (১৫ জুন)

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

সিলেটে পয়ঃবর্জ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ

পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: সিসিক প্রশাসক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, “পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই পরিচ্ছন্ন নগর

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক

সিলেটের আলোচিত হত্যা মামলাগুলোর দ্রুত বিচার প্রত্যাশা সিলেট নগরীতে অপরাধ দমন, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

নগরীর প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা সম্প্রসারণ করছি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

অবহেলার অন্ধকারে চারিকাটা যেখানে এখনো বেঁচে আছে প্রাচীন বাংলার ছাপ

শুয়াইবুর রহমান: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাড়া, কুমারপাড়া, নয়াখেল ও ভিতরিখেল গ্রামের চিত্র যেন এখনো কয়েক দশক আগের গ্রাম

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথের আলোচিত মোশাহিদ ডাকাত আটক

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে মোশাহিদ ওরফে রাজু (৩৬)নামে ডাকাতি ও হত্যাসহ মোট ১৩ মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোশাহিদ

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী  প্যারিসের আয়োজনে বাংলা  সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপাবলিকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উৎসব মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে আয়োজিত এই মেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পুরো রিপাবলিক এলাকায়। মেলার প্রবেশমুখ থেকেই চোখে পড়ে বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, রঙিন ব্যানার, আলপনা ও বাঙালি সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উৎসব প্রাঙ্গণ। মেলায় রয়েছে দেশীয় খাবারের বাহারি স্টল, হস্তশিল্প, পোশাক, অলংকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, পিঠাপুলি এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় নানা মুখরোচক খাবার। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালায় অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী শিল্পীরা। বাংলা গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং শিকড়ের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য আয়োজন। স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঙালিয়ানা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে রিপাবলিকের বৈশাখী মেলা পরিণত হয়েছে প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশের প্রাণের উৎসবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা ও সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো.জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠী প্যারিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা। প্রবাসে

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে সম্মাননা পেলেন বিয়ানীবাজার থানার এসআই হোসাইন আহমদ

শহিদুর রহমান, বিয়ানীবাজার: বাংলাদেশ পুলিশ, সিলেট রেঞ্জের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা (ক্রাইম কনফারেন্স) ও কল্যাণ সভায় পেশাগত