admin
প্রকাশিত: ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার:
বিচক্ষণ ও মার্জিত মানসিকতার অনন্য এক চরিত্রের অধিকারি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ধানের শীষের প্রার্থী বিবেচনায় তিনি অনেক উচু স্তরের এক নেতা। তাকে দিয়ে বিএনপি পূর্ণদখল করাতে চায় দেশের মযার্দাপূর্ণ সিলেট-১ আসন। তিনি স্থানীয় অধিবাসীও। তার মরহুম পিতা খন্দকার আবদুল মালিক ছিলেন সিলেট বিএনপি প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। তিনি ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৮ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন তিনি। পিতার বদৌলতে এই আসনে রয়েছে তার নিজস্ব একটি ভোট ব্যাংক মুক্তাদিরের। বনেদী পরিবারের সন্তান হিসেবে তার প্রতি সাধারন মানুষেরও রয়েছে বিশেষ আস্থা ও ভালোবাসা। সেকারনে ভোটের দৌড়ে তার অবস্থান সুবিধাজনক। এছাড়া ২০১৮ সালেও বিএনপির হয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ছিলেন খন্দকার মুক্তাদির।সেকারনে ভোটারদের ভাষা বুঝা তার কাছে অনেক সহজ। সেভাবে নিজকে ভোটের মাঠে মেলে ধরেছেন তিনি। দলের নেতাকর্মীরাও তার প্রতি আন্তরিক। তাকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন শুধু নেতাকর্মীর নয়, সিলেটবাসীরও। কারন তার কথা বার্তা বেশ সাবলিল। অনেক উচ্চ চিন্তাশীল নেতাও তিনি। আইটি বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরন, সিলেটকে দেশের অন্যতম নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ বিভিন্ন খাল নদী খননসহ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ট ব্যবহার সহ বিভিন্ন প্রত্যয় ব্যক্ত করে গণরায়ের আশা করছেন তিনি।
কথিত আছে, ‘সিলেট-১ আসন যার, সরকারও তার’। পরিসংখ্যানও এই জনশ্রুতিকে সমর্থন করে। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১২টি সংসদীয় নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে যে দলের প্রার্থী জিতেছেন, তারাই ক্ষমতার চেয়ারে বসেছেন। এ কারণে এটি সংসদ নির্বাচনের ‘জাদুকরী আসন’। সংসদ নির্বাচন এলেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সিলেটে মাজার জিয়ারত ও জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করে। এবারও এই ধারায় ছেদ পড়েনি। তবে সবচেয়ে বেশি ছয়বার এই আসন জেতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় ভোটের হিসাব পাল্টে গেছে।
নগর ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত প্রায় সাত লাখ ভোটারের এ আসনটিতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের মধ্যে। মাওলানা হাবিবুর রহমান কেবল রাজনীতিক নন, তিনি সিলেটের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সর্বদলীয় ব্যবসায়ী রাজনীতিকদের সাথে তার বিশ্বাসযোগ্য গভীর সর্ম্পক অনেকের অজানা নয়। শান্ত ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে তার পরিচিত ব্যাপক। ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে রয়েছে তার সর্ম্পক। স্বাস্থ্য সেবার মাধ্যমে সেই সর্ম্পক গড়ে তুলেছেন তিনি। এছাড়া এই আসনে জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী। বিশেষ করে ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনীতিক পট পরিবর্তনের পর জামায়াত এ আসনে নির্বাচনী মিশনের দলমতের উর্ধ্বে উঠে তৈরী করেছে সেবা ধর্মী সর্ম্পক। সংখ্যালুঘু সম্পদায়ের রাজনীতিক সহ সাধারন লোকদেরও পাশে দাড়িয়েছে তারা। সেকারনে ভোট রাজনীতিতে জামায়াত এগিয়ে গেছে অনেকদুর। সেই দুর নির্বাচনী বৈতরনী পারে কতটুকু সহায়ক হবে, সেটার প্রমান মিলবে নিবার্চনের ফলাফলে। তবে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বক্তব্য, জামায়াত ইসলামীর কর্মী সমর্থকদের আচারিক আচরণে ভোটের ঢল নামবে দাড়ি পাল্লার বাক্সে। সেক্ষেত্রে এ আসনে তার বিজয় অবশ্যম্ভভাবী।
স্থানীয় ভোট বিশ্লেষকদের ধারনা, ফলের নিয়ামক হতে পারে আওয়ামী লীগ, সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও চা শ্রমিকের ভোট। ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১২টি সংসদীয় নির্বাচনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ছয়বার সিলেট-১ আসনে জিতে সরকার গঠন করে। ১৯৯৬ সালের জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনসহ বিএনপি এই আসনে চারবার জিতে ক্ষমতায় যায়। জাতীয় পার্টি এই আসনে দুবার জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসে। আগের নির্বাচনগুলোর ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ৩১.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ পায় ৩০.৩ শতাংশ। সেবার জামায়াত ১৫ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩২.৬ শতাংশ ভোট পেয়ে জেতে। বিপরীতে বিএনপি প্রার্থী পায় ৩২.২ শতাংশ ভোট। এই নির্বাচনে জামায়াত ৯.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়। ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করে।
গুরুত্ব পাচ্ছে কর্মসংস্থান ও দূষণ: পরিবেশবিদরা বলছেন, ভারী বৃষ্টি নামলেই নগর ডুবে যায়। জলাবদ্ধতা সমস্যা মোকাবিলার নামে দুই দশকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। তবু দুর্ভোগ কমেনি। পাশাপাশি সিলেটে গ্যাস থাকলেও বড় কোনো শিল্প গড়ে ওঠেনি। ফলে বেকার সমস্যা প্রকট। ভোটারের দাবির শীর্ষে রয়েছে এই দুই বিষয়।
হাওর ও পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা জানান, পরিবেশ রক্ষা, খাল দখলমুক্ত আর টিলা কাটা বন্ধ করার জন্য জোরালো অঙ্গীকার করবেন মানুষ তাকেই ভোট দেবে।
সিলেট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ ইউ শাহীন বলেন, গ্যাস থাকলেও সিলেটে কোনো শিল্প গড়ে ওঠেনি। ফলে এই আসনে কোনো কর্মসংস্থান নেই। প্রার্থী নির্বাচনে এ বিষয়টিও ভোটারের বিবেচনায় থাকবে।
একাধিক রাজনীতিক বলছেন, বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বীতার লড়াই এতোই কাছাকাছি অনুমান করা হচ্ছে, দিনশেষে মুক্তাদির জিতলেও দাড়িপাল্লার হাবিবুর রহমানের আফসোস থাকবে। কারন তিনি দেখবেন জয় খুবই কাছে ছিল। তার দলও নেতাকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অবিশ্বাস্য পর্যায়ে পৌছেছিল দাড়িপাল্লার দৌড়। কিন্তু শেষ ভালো করতে না পারার আফসোস লেখা থাকবে জামায়াত প্রার্থীরা ইতিহাসে। এছাড়াও তারা বলছেন, যেই বিজয়ী হবেন, তারা উভয়ই সিলেট নগরীর কল্যানে কাজ করার সামর্থ্যবান ও যোগ্য।
রুবেল আহমদ: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় উপজেলা শহর (নন-মিউনিসিপ্যাল) মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত) এর
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি : জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের হেমু হাউদপাড়া (জুয়াইরটুল) গ্রামের বাসিন্দা ও মতিন মিয়ার পুত্র, উদীয়মান ফুটবলার মোঃ নাজিম
সিলেট মহানগরীর মাছিমপুর হাকিম বাড়ি নিবাসী এবং মাছিমপুর জামিয়া মসজিদের মোতাওয়াল্লী হাজী মো. মাহমুদ আলী আর নেই। শুক্রবার সকাল ৬
বজ্রপাত রোধে তালগাছ রোপণে গুরুত্ব সপ্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত আহসান হাবীব লায়েক, জকিগঞ্জ : সিলেটের জকিগঞ্জে দেশব্যাপী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ
এ কে আজাদ, গোয়াইনঘাট: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে একজন শিক্ষকেরও দেখা পাননি সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য
ছাতক প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন গতকাল বৃহস্পতিবার ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও-গনেশপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ
১৯ মে ভোর থেকে সিলেট বিভাগে পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতির ডাক বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী