admin
প্রকাশিত: ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
এএইচ আরিফ:
সিলেট নগরীর উন্নয়নের কথা বললে বর্তমানে যে নামটির ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তিনি আর কেউ নন—জনপ্রিয় জননেতা আরিফুল হক চৌধুরী। ২০১৩ সাল থেকে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত তাঁর টানা দুই মেয়াদে সিলেট মহানগরী যেভাবে পাল্টে গেছে, তাকে অনেকে ‘আধুনিক সিলেটে রূপান্তর’ বলে অভিহিত করেন। বর্তমানে প্রবাসীদের পদচারণায় মুখরিত সিলেটে একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে—কে এই জাদুকরী পরিবর্তনের রূপকার? উত্তর একটাই—আরিফুল হক চৌধুরী।
২০১৩ পূর্ববর্তী সিলেট: অবহেলার এক জনপদ স্মৃতির পাতায় ফিরে তাকালে দেখা যায়, ২০১৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত সিলেট শহর ছিল এক অপরিকল্পিত ও ঘিঞ্জি নগরী। তখন উন্নয়ন বলতে ছিল কেবল পুরোনো রাস্তার ওপর বারবার পিচঢালাই। ড্রেনেজ ব্যবস্থার নাজুক অবস্থা আর সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন রাস্তা ছিল নগরবাসীর নিত্যসঙ্গী। ফুটপাথহীন সরু সড়কে যানজট ছিল অবর্ণনীয়। সেই সময় বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান টানা দুই মেয়াদে মেয়র হিসেবে বেশ জনপ্রিয় থাকলেও দৃশ্যমান বড় কোনো উন্নয়ন তখনো অধরাই ছিল।
হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার আবির্ভাব : ২০১৩ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে যখন কামরান হ্যাটট্রিক জয়ের আশায় নির্ভার ছিলেন, ঠিক তখনই এক ‘পরিবর্তনের নায়ক’ হিসেবে আবির্ভুত হন আরিফুল হক চৌধুরী। প্রবল প্রতিকূল পরিবেশ আর রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজের স্বপ্নের কথা শোনান। নগরবাসীও তাঁর মাঝে খুঁজে পেয়েছিল এক স্বপ্নদ্রষ্টা নেতাকে। নির্বাচনের ফলাফলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ পাল্টে যায় এবং বিজয়ী হন আরিফুল হক চৌধুরী।
যেভাবে বদলে গেল নগরীর রূপ : বিজয় লাভের পর আরিফুল হক চৌধুরী যেন এক জাদুর ছোঁয়ায় শহরকে সাজাতে শুরু করেন। তাঁর সফল দুই টার্মে যা অর্জন হয়েছে, তা এককথায় অভূতপূর্ব: প্রশস্ত সড়ক ও ফুটপাথ: নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রশস্ত করে আধুনিক ও ঝকঝকে ফুটপাথ নির্মাণ করা হয়েছে। ড্রেনেজ ও ছড়া উদ্ধার: শহরের জলাবদ্ধতা দূর করতে দখল হওয়া ছড়াগুলো উদ্ধার করে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। নান্দনিক আধুনিকায়ন: ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার অপসারণ করে তারের জঞ্জালমুক্ত আধুনিক শহর উপহার দিয়েছেন তিনি। সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সুবিধা: নগরীর মোড়ে মোড়ে নান্দনিক সৌন্দর্যবর্ধন এবং নাগরিকদের জন্য হাঁটার পথ নির্মাণ করেছেন।
উন্নয়নের রাজনীতি ও বিএনপির দর্শন : আরিফুল হক চৌধুরীর এই সফলতার পেছনে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে প্রবাসীরাও বিস্মিত হয়ে দেখছেন—কোথায় ছিল এই শহর আর এখন তা কী হয়েছে! জনমনে একটি বিশ্বাস জোরালো হয়েছে যে, বিএনপি মানেই উন্নয়ন। আরিফুল হক চৌধুরী প্রমাণ করেছেন, প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, বিএনপির মূল কৌশল হলো উন্নয়নমুখী সেবা। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও তিনি যেভাবে কাজ করেছেন, তা দলের উন্নয়ন-মনস্কতারই বহিঃপ্রকাশ।
নতুন স্বপ্নের পথে সিলেট: সিলেট এখন শুধু একটি শহর নয়, এটি একটি আধুনিক মহানগর। আরিফুল হক চৌধুরীর পাশাপাশি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের মতো আধুনিক ও উন্নয়নমনস্ক নেতাদের ঘিরে এখন নতুন স্বপ্ন বুনছে সিলেটবাসী। তাঁদের বিশ্বাস, উন্নয়ন ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের মেলবন্ধনে বিএনপিই পারে একটি সুন্দর ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে। সিলেটের অলিগলি আর প্রশস্ত রাজপথ আজ যার কথা বলছে, তিনি আরিফুল হক চৌধুরী। তাঁর দুই টার্মের উন্নয়ন আজ প্রমাণ করে—সুযোগ পেলে বিএনপি একটি জনপদকে কতটা আধুনিক করে তুলতে পারে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট জেলার সর্বস্তরের নাগরিকসহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সিলেট
ডেস্ক রিপোর্ট: সিলেট মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন রহিমের ওপর হামলার ঘটনায় ১৫ জনকে আসামি করে সিলেট এয়ারপোর্ট
রুবেল আহমদঃ সিলেটের গোয়াইনঘাটের তামাবিল স্থল বন্দরের শ্রমিকদের মাঝে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী’র
সিলেটের জকিগঞ্জে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ২৫০ জন হতদরিদ্র মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ
নোমান আহমেদ: সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি. নং-চট্র-২১৯৫ এর অন্তর্গত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা উপ-কমিটির উদ্যোগে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ বিশ্বনাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে হাওর অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানবিক সহায়তা হিসেবে ৮৩৪ টি পরিবারকে
বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের বৃহত্তর আমতৈল গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগরীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির