admin

প্রকাশিত: 8:26 AM, September 19, 2026

কৃষ্ণপুর গণহত্যা ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বও লাখাইয়ে পাক বাহিনীর বর্বরোচিত তাণ্ডব

কৃষ্ণপুর গণহত্যা ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বও লাখাইয়ে পাক বাহিনীর বর্বরোচিত তাণ্ডব

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলবেষ্টিত লাখাই উপজেলার ১নং ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরÑআজকের এই দিনে সনাতন ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত কৃষ্ণপুর গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার ও রাজাকার বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ১২৭ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হবিগঞ্জ জেলায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বড় একটি ঘটনা।

স্থানীয় প্রবীণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা থেকে ৫টার দিকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম ক্যাম্প থেকে নৌকাযোগে এসে পাক সেনা, রাজাকার ও আলবদর বাহিনী কৃষ্ণপুর গ্রামটি ঘিরে ফেলে। গ্রামে ঢুকেই পাকিস্তানি সেনারা এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করে। পাশাপাশি রাজাকার ও আলবদর বাহিনী ঘরবাড়িতে লুটপাট, স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই এবং ব্যাপক অগ্নিসংযোগ চালায়।

একপর্যায়ে গ্রামের কমলময়ী উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে রঘু নন্দনের বাড়িতে গ্রামবাসীকে একত্রিত করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করা হয়। ঘটনাস্থলেই ১২৭ জন শহীদ হন। গুলির পর নিহতদের মরদেহ পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। একই দিনে পার্শ্ববর্তী লালচাঁদপুর ও গোকুলনগর এলাকাতেও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল।

প্রতি বছর ১৮ সেপ্টেম্বর স্বজনহারানো পরিবারগুলোর কাছে গভীর শোক ও বেদনার স্মৃতি নিয়ে ফিরে আসে। দিবসটি উপলক্ষে কৃষ্ণপুর স্মৃতিসৌধ ও বধ্যভূমিতে জাতীয় পাতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ, এক মিনিট নীরবতা পালন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। লাখাই উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ বছরও গণহত্যার বার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই গণহত্যার শিকার শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণের জোর দাবি জানান।

এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাসান জানান, শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয় সম্পর্কে তিনি অবগত নন; তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতা

জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতা

কাজী নজরুল বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : কয়েস লোদী সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব

নগর বিএনপি নেতা জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদীর শোক

নগর বিএনপি নেতা জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদীর শোক

সিলেট নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিলেট উন্নয়ন

জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক

জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক

সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন

মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে খন্দকার মুক্তাদিরের শোক

মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে খন্দকার মুক্তাদিরের শোক

সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন মজুমদার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি

জাকির মজুমদারের ইন্তেকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর শোক

জাকির মজুমদারের ইন্তেকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর শোক

সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন মজুমদারের অকাল ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ

জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের শোক

জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের শোক

সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন মজুমদারের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির

জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মহানগর বিএনপি নেতা

জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মহানগর বিএনপি নেতা

সিলেট মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন মজুমদার আর নেই। গতকাল রাত ১২টার দিকে তিনি

সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে শেষ ‘ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং’ সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই

সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে শেষ ‘ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং’ সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই

একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের গঠনমূলক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। তাই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তরুণদেরই সম্প্রীতির