admin
প্রকাশিত: 5:47 AM, October 1, 2026
দেশজুড়ে বেজে উঠেছে নির্বাচনী সুর। সেই সুরের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিধ্বনি এখন শুনা যাচ্ছে আধ্যাত্মিক নগরী সিলেটের হৃৎপিণ্ড সিলেট সদর উপজেলায়। চা-বাগান, গ্রামীণ জনপদ আর শহরের উপকণ্ঠঘেরা এই ঐতিহ্যবাহী উপজেলায় ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে চরম রাজনৈতিক উত্তাপ ও নির্বাচনী হাওয়া। আর এই নির্বাচনী সমীকরণে রাজপথের অন্যতম প্রধান দল বিএনপি থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন চার হেভিওয়েট নেতা।
তারা হলেনÑ সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান শাহ জামাল নুরুল হুদা, জেলা বিএনপির অপর সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম ডালিম, সিলেট সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ।
সদর উপজেলা জুড়েই এখন চায়ের দোকান, হাট-বাজার আর সামাজিক মিলনায়তনগুলোতে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এই চার প্রার্থী। দলের হেভিওয়েট নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ তৃণমূল কর্মীÑ সবার চোখ এখন ধানের শীষের প্রার্থী মনোনয়নের দিকে।
শাহ জামাল নুরুল হুদা (সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা বিএনপি) সিলেট সদর উপজেলা রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচিত ও অভিজ্ঞ মুখ শাহ জামাল নুরুল হুদা। পূর্বে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। প্রশাসনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের সাধারণ মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি নিজস্ব একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছেন। দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডে সরব উপস্থিতি রেখে তিনি নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছেন। তাঁর সমর্থক ও অনুসারীরা মনে করেন, অভিজ্ঞতার বিচারে তিনিই এগিয়ে থাকবেন।
মাজহারুল ইসলাম ডালিম (সাবেক চেয়ারম্যান ও সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা বিএনপি) সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে মাজহারুল ইসলাম ডালিম সদরের রাজনীতিতে আরেক শক্তিশালী নাম। স্থানীয় সরকারের গতিপ্রকৃতি ও ইউনিয়নের রাজনীতিতে তাঁর সুদৃঢ় প্রভাব রয়েছে। বিগত দিনে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করেই মাঠে নেমেছেন তিনি। সদর এলাকার সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি নির্বাচনমুখী তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
আবুল কাশেম (সভাপতি, সিলেট সদর উপজেলা বিএনপি) সদর উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দলীয় সংগঠনে সবচেয়ে প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে আবুল কাশেমের। বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় সংগঠন পুনর্গঠনে ভূমিকা রেখে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। সভাপতি হিসেবে প্রতিদিন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলছেন। দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে সাংগঠনিক শক্তি ও তৃণমূলের সমর্থনকেই তিনি নিজের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করছেন।
আজিজুর রহমান আজিজ (সাধারণ সম্পাদক, সিলেট সদর উপজেলা বিএনপি) সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তরুণ ও চাঙ্গা নেতাকর্মীদের মাঝে আজিজুর রহমান আজিজের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে তাঁর প্রতিনিয়ত নিবিড় যোগাযোগ। সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজপথের সক্রিয়তার কারণে দলের তরুণ অংশটি তাঁর পেছনে ঐক্যবদ্ধ। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণার পাশাপাশি সরাসরি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কুশল বিনিময় করছেন তাঁর সমর্থকরা।
মনোনয়ন নিশ্চিতকরণে শুধু শীর্ষ নেতাদের কাছে তদবিরেই সীমাবদ্ধ নেই এই চার সম্ভাব্য প্রার্থী; নিজেদের জনসম্পৃক্ততা ও জনপ্রিয়তা প্রমাণের জন্য তারা বেছে নিয়েছেন নানা কৌশল।
প্রার্থীরা নিজ নিজ বলয় নিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নে সামাজিক ও অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানের আড়ালে মতবিনিময় এবং উঠান বৈঠক জোরদার করছেন। ফেসবুকসহ নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কর্মী-সমর্থকরা নিজ নিজ প্রিয় নেতার ছবি ও উন্নয়নমূলক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। সদরের প্রধান সড়ক ও হাট-বাজারে কুশল বিনিময়ের ডিজিটাল ব্যানার-ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে। জানাজা, মিলাদ মাহফিল, স্থানীয় খেলাধুলা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতি বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন প্রার্থীরা।
সিলেট সদর উপজেলার ভোটাররা কেবল রাজনৈতিক পরিচয় নয়, এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং স্বচ্ছ ইমেজের বিষয়টিকে প্রার্থী নির্বাচনে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তৃণমূলের কর্মীরা বলছেন চারজনই দলের জন্য পরীক্ষিত নেতা। তবে শেষ পর্যন্ত দলের হাইকমান্ড কাকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদের জন্য গ্রিন সিগন্যাল দেয়, সেটির ওপরই নির্ভর করছে চূড়ান্ত নির্বাচনী লড়াই। সব মিলিয়ে, বিএনপির এই চার হেভিওয়েটের প্রার্থিতা কেন্দ্র করে সিলেট সদর উপজেলাজুড়ে যে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে, তা আগামী দিনগুলোতে আরও জমজমাট হয়ে উঠবে এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দেশজুড়ে বেজে উঠেছে নির্বাচনী সুর। সেই সুরের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিধ্বনি এখন শুনা যাচ্ছে আধ্যাত্মিক নগরী সিলেটের হৃৎপিণ্ড সিলেট সদর উপজেলায়।
প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দমন-পীড়ন কিংবা বারবার কারাবরণÑকোনো কিছুই দমাতে পারেনি রাজপথের আপসহীন ছাত্রনেতা রুবেল ইসলামকে। সিলেটের ছাত্ররাজনীতিতে ত্যাগ, সাহসিকতা ও
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা ও কারাভোগের কারণে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা কাউছার
রাজনৈতিক রাজপথ কখনোই মসৃণ ছিল না তাঁর জন্য। মামলা, হামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর বারবার কারাবাসÑএসব প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে রাজনৈতিক সংগ্রামের
পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কৌশল তুলে ধরলেন জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লেট মো.জুনেদ আহমদ,ফ্রান্স: জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজের (এনডিসি) ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২৬-এর কোর্স সদস্যদের
মুক্তাদির আল সেলিম, জৈন্তাপুর: সিলেটের জৈন্তাপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি: সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন- ছাত্রদলের আয়োজিত এই নবীনবরণ
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি’ আয়োজিত আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বিতর্ক প্রতিযোগীতা-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিযোগিতায় দুর্নীতিই বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির প্রধান