admin
প্রকাশিত: ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার:
নগরীর চালিবন্দরস্থ মাদানী সিটি এলাকায় একাধিক মামলার আসামী আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান মজলাইয়ের হুমকীতে আতঙ্কিত এক সংখ্যালঘু পরিবার। এ ব্যাপারে সংখ্যালঘু পরিবার নিজেদের নিরাপত্তাহীন দাবি করে সহায়-সম্বল রক্ষায় পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগে ভুমি মালিক নগরীর যতরপুর নবপুষ্প-১২/৩, এলাকার মৃত সুরেশ রঞ্জন দে’র ছেলে মনিন্দ্র রঞ্জন দে উল্লেখ করেন, গেল ২১ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় বহুল আলোচিত ও একাধিক মামলার আসামী মাদানী সিটি এলাকার মৃত মরম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান মোজলাই (৫০), নিজ ছেলে ১৪ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছমছু (২৭), অপর ছেলে মোঃ কয়েছ আহমদ (৩৪) সং অজ্ঞাতনামা একটি সন্ত্রাসীচক্রকে সাথে নিয়ে সদলবলে মনীন্দ্র রঞ্জন দে’র পৈর্তৃক ভূমি মাদানী সিটিতে গিয়ে ভাড়াটিয়াদের তিন দিনের ভিতরে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে নির্দেশ দেন। অন্যথায় বাড়িতে থাকা অবস্থায় সকলকে আগুনে জ্বালিয়ে পুড়ে মারার হুমকী প্রদর্শণ করেন।
ঘটনার সময় বাড়িতে অবস্থান করা মাদানী সিটি এলাকার বাসিন্দা এবাদুর রহমান ও মিঠু মিয়া হুমকীর কারণ জানতে চাইলে-তাদেরকে কোন শব্দ বা জিজ্ঞাসা করতে বারণ করা হয়। একইসাথে মজলাই গং তাদের সামনে অস্ত্র প্রদর্শন করে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী প্রদান করে।
লিখিত অভিযোগে মনিন্দ্র রঞ্জন দে আরও উল্লেখ করেন, ওইদিন মজলাইসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীচক্র একত্রিত হয়ে আমার পৈতৃক ভিটা-মাটি থেকে আমাকে উচ্ছেদ করার জন্য অস্ত্র-শস্ত্র হাতে নিয়ে মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় বাসায় থাকা লোকজন বাধা সৃষ্টি করলে তাদেরকে কে প্রাণে হত্যা করবে মর্মে হুসিয়ারী দেয়।
তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, উপরোক্ত আসামীগণ একাধিক চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসী লুটপাটের মামলার আসামী। কিন্তু বিগত দিন ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের ছত্র ছায়ায় বিভিন্ন অপরাধে আসামীদের বিরুদ্ধে কেউ কোন কথা বলতে সাহস পায়নি। তৎকালীন সময়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১৪নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিল ১নং আসামী এবং ২নং আসামী মোঃ ছমছু ঐ ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল। উপরোক্ত আসামীগণ ঐ সময়ে ক্ষমতার বলে জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। বর্তমানে আসামীগণ যুবদলের লোক বলে জনমনে প্রচার প্রচারণা শুরু করে এবং কতেক যুবদল নেতার ছত্র-ছায়ায় বিভিন্ন মব সন্ত্রাস করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভিটা-মাটি দখল করার পায়তারা করছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী বিষ্ফোরক আইনে মামলা হয়। কিন্তু আজও আসামীগণ গ্রেফতার হয়নি। যার কতোয়ালী জি.আর মামলা নং- ৩৪/২০২৫ ও কোতোয়ালী সি.আ। মামলা নং- ৭৩৫/২০২৫ ইং এবং কোতোয়ালী জি.আর দ্রুত বিচার আইনে মামলা নং- ৯৪০/২০২২ ইং চলমান রহিয়াছে।
আসামী মজলাই দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর কিছুদিন আড়ালে চলে গেলেও বর্তমানে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পুনরায় চুরি, ছিনতাই, বুঙ্গা, অস্ত্র, মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন সময় মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করে লুটপাট করে আসছে। নিজ এলাকায় নিরীহ বিভিন্ন মানুষের ক্ষতি সাধন করে আসছে। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খোলে না। এমতাবস্থায় জরুরী ভিত্তিতে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের দোসর আসামীগণ কে গ্রেফতার ক্রমে তাদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতঃ এবং দরখাস্থকারী সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের বসত বাড়ী, জান ও মালের নিরাপত্তা একান্ত আবশ্যক।
প্রশাসনিক অনুমতি ও তথ্য আদান-প্রদান নিয়ে প্রশ্ন, অভিযোগ অস্বীকার সংশ্লিষ্টদের স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় ইজারাবহির্ভূত এলাকায় ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে
সিলেট নগরীর ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোবারক হোসেন ফাত্তাহ এবং তাঁর চাচাতো ভাই ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক
ওসমানীনগর উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়িত ওয়াশব্লক প্রকল্পসমূহের তালিকা, নির্মাণমান এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানকে ব্যবহার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েমকারী ময়নুল ইসলাম ওরফে ‘ডেবিল
মো: জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স: বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী-এর
রুবেল আহমদ: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার আম বাড়ি এলাকায় ৬ বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নুর উদ্দিন (৬৮) নামের
আহসান হাবীব লায়েক, জকিগঞ্জ: সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় কুরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকারি বরাদ্দের লবণ বিক্রির অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
সিলেটের জন্য সুসংবাদ বয়ে আনলেন সিলেট-৬ আসনের এমপি এমরান চৌধুরী গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইনের প্রশ্নের জবাবে মিললো সুখবর সিলেটের সংবাদ